১২ ফেব্রæয়ারি আসছে বিদেশি পর্যটকবাহী দ্বিতীয় জাহাজ

24

মিয়ানমার থেকে ৭২ জন বিদেশি পর্যটক নিয়ে বাংলাদেশে আসছে পর্যটকবাহী দ্বিতীয় জাহাজ ‘সিলভার ডিসকভারার’। জাহাজটির পর্যটকরা ১২ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চারদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করবেন।
এছাড়া ২২ ফেব্রæয়ারি ৭৮ জন বিদেশি পর্যটক নিয়ে আরো একটি বিলাসবহুল জাহাজ বাংলাদেশে আসবে। এসব জাহাজের মাধ্যমে মোট ২১১ জন বিদেশি পর্যটক বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। আর এতে ভিসা ফি বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হবে ৯ লাখ টাকা।
যৌথভাবে এ সফরের আয়োজন করেছে বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটর ‘জার্নি প্লাস’ এবং ডেনমার্কের ‘দ্য পুগমার্ক’।
এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি জাহাজটিতে চড়ে বাংলাদেশে আসেন ৬১ জন বিদেশি পর্যটক। সে সময় তারা পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করেন। তারও আগে, ২০১৭ সালে জাহাজটি ১৭টি দেশের মোট ১৬২ বিদেশি পর্যটক নিয়ে দুইবার মহেশখালী দ্বীপ এবং সুন্দরবন ভ্রমণ করে। ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক অনেক রুটে চললেও জাহাজটি বাংলাদেশে আসেনি।
এ বিষয়ে ‘সিলভার ডিসকভারার’ জাহাজটির দেশীয় ট্যুরিজম পার্টনার জার্নি প্লাসের সিইও তৌফিক রহমান বাংলানিউজকে বলেন, দ্বিতীয় জাহাজটি আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার থেকে ৭২ পর্যটক নিয়ে রওনা হয়ে ভারতের পোর্ট বেøয়ার ও আন্দামান দ্বীপ যাবে। সেখান থেকে এটি ফের মিয়ানমারের সিটওয়ে বন্দর হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আসবে। এখান থেকে সুন্দরবন এবং মোংলা বন্দর হয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের চেন্নাই বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবে। আর তৃতীয় জাহাজটি ১৯ ফেব্রুয়ারি চেন্নাই থেকে রওনা দিয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসবে। এটি সুন্দরবন হয়ে মহেশখালী, সেন্ট মার্টিন ঘুরে ২৭ ফেব্রুায়ারি মিয়ানমারে চলে যাবে। সে জাহাজটিতেও ৭৮ বিদেশি পর্যটক থাকবেন।
বাংলাদেশ পর্যটন কপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, যৌথভাবে আয়োজিত এই সফরে পর্যটকরা চার দিন বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। আগে কলকাতা, থাইল্যান্ড হয়ে বাংলাদেশে এলেও এবার আসছেন চেন্নাই অথবা মিয়ানমার রুটে। এসময় তারা সুন্দরবনের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি কক্সবাজারের মহেশখালী ও একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন ঘুরে দেখবেন। তবে এই প্রথম জাহাজের পর্যটকরা দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি ট্যুরই ১৪ দিন মেয়াদি। থাকা-খাওয়াসহ ভ্রমণের সর্বনিম্ন খরচ ১০ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে আট লাখ টাকা)। তবে জাহাজটির স্যুটে ভ্রমণে খরচ ১৪ থেকে ১৬ হাজার ডলার। জাহাজটিতে আন্তর্জাতিকমানের রেস্টুরেন্ট, লাউঞ্জ, স্যুট ও বিশাল ডেকে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার সুযোগ রয়েছে।