একদিনেই কেজিতে বেড়েছে ১৫-২০ টাকা

১১ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির আবেদন

পূর্বদেশ ডেস্ক

12

ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে একদিনে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্রের (আইপি) জন্য আবেদন করেছেন ব্যবসায়ীরা। আর গত ১২ দিনে মোট ১৯ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খোলা হয়েছে । প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন স্টেশন সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চীন, মিয়ানমার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিশর থেকে এসব পেঁয়াজ আমদানির জন্য আবেদন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করার আগে থেকেই ব্যবসায়ীরা বিদেশ থেকে আমদানির করতে আইপির আবেদন করেছেন। মঙ্গলবার (গতকাল) একদিনেই ২১টি আইপির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আমদানি করা হবে ১০ হাজার ৭৪২ টন পেঁয়াজ। এর মধ্যে মিয়ানমার থেকে তিন হাজার ৬৬১, পাকিস্তান থেকে তিন হাজার ১৬০, মিশর থেকে এক হাজার ৮৭১, চীন থেকে এক হাজার ৮৫০ এবং তুরস্ক থেকে দুইশ টন আসবে’।
আসাদুজ্জামান বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ১০১ টনের আইপি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ৫৪টি আইপির বিপরীতে ১৯ হাজার ৮৪৩ টন পেঁয়াজ আমাদনির অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।
এদিকে ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর চট্টগ্রামের পাইকারী ও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। চট্টগ্রামের বৃহত্তম পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জের আড়তে একদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, গতকাল মঙ্গলবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে মানভেদে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। সোমবার এ দর ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। ভারত বন্ধ করে দেয়ায় পেঁয়াজের দাম বাড়তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বাইরে থেকে কিছু পেঁয়াজ অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বাজারে আসার কথা রয়েছে। তখন দাম কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।
এদিকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খুচরায় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭৫ টাকায় কেজি দরে। সোমবার এ দর ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। খবর বিডিনিউজের