১১ কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

21

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১১টি কোম্পানি তাদের সর্বশেষ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত ২৭ জুলাই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
গত ২৮ জুলাই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিগুলো হলো- এক্সিম ব্যাংক, ফনিক্স ফিন্যান্স, ইসলামী ব্যাংক, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, লংকাবাংলা ফিন্যান্স, গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন, বাটা সু, নিটল ইন্স্যুরেন্স, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স।
এক্সিম ব্যাংক: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন, ২০২০) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৫৬ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছিল ৪ পয়সা। সে হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস দাঁড়ায় ৯৬ পয়সা।
ফনিক্স ফিন্যান্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৬ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬৩ পয়সা।
ইসলামী ব্যাংক: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টকা ৬৩ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯৯ পয়সা।
প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫২ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮৭ পয়সা।
মার্কেন্টাইল ব্যাংক: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৫০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ১৬ পয়সা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে এককভাবে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ১৩ পয়সা।
চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টকা ৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টকা ৭৯ পয়সা।
লংকাবাংলা ফিন্যান্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ লংকাবাংলা ফিন্যান্সের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৫০ পয়সা। অন্যদিকে, এই সময়ে এককভাবে লংকাবাংলা ফিন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ৩৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সলো ইপিএস হয়েছিল ৭৬ পয়সা।
গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১৯ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৮২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৮ টাকা ১০ পয়সা।
বাটা সু: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৩ টাকা ৭৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১৫ টাকা ৮৫ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৫১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৯ টাকা ১১ পয়সা।
নিটল ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৭১ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা।
মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৭৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৬৮ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৮ পয়সা।
মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২০) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা। আগের বছর ইপিএস ছিল ৬২ পয়সা।