স্বীকৃতি পেল সিএমপির ‘মানবিক পুলিশ ইউনিট’

15

আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল চট্টগ্রাম নগর পুলিশের ‘মানবিক পুলিশ ইউনিট’। চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবর রহমান শনিবার এই ইউনিট গঠনে অফিস আদেশ জারি করেছেন।
সিএমপির উপ-কমিশনারকে (সদর) প্রধান করে ১০ সদস্যের এই ইউনিটে দুইজন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার, পুলিশ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক, চারজন সহকারী কমিশনার, একজন পরিদর্শককের পাশাপাশি রাখা হয়েছে নয় বছর ধরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা মেগট আক্রান্ত, স্বজনহীন লোকদের সেবাদানকারী পুলিশ কনস্টেবল শওকতকে।
অন্যদের পদাধিকার বলে ইউনিটে দায়িত্ব দেওয়া হলেও আদেশে পুলিশ কনস্টেবল শওকতের নাম উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।
সিএমপি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নবগঠিত এ ইউনিট দুস্থ ও অভিভাবকহীন রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি খাওয়া ও পোশাকের ব্যবস্থা করবে।
এছাড়াও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের শরীরে অস্ত্রপাচার ও পরবর্তী পরিচর্যার পাশাপাশি আইনি সহায়তা করবে এ ইউনিট। খবর বিডিনিউজের
২০১১ সাল থেকে শরীরে পচন ধরে পোকায় আক্রান্ত (মেগট) রাস্তার পাশে পড়ে থাকা স্বজনহীন লোকদের নিজেদের উদ্যোগে নিভৃতে সেবা দিয়ে আসছিলেন দামপাড়া বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে কর্মরত সাত কনস্টেবল মো. শওকত হোসেন, মো. হান্নান, মো. মাঈনুদ্দীন, মো. মাহবুবুল আলম, মো, ইয়াছিন আরাফাত, মো. রবিউল হোসেন, মো. এমরান হোসেন।
মূলত কনস্টেবল শওকতের উদ্যোগে তারা এ সেবা দিয়ে আসছিলেন নগরীরর বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা অসহায় লোকদের।
নিজেদের বেতনের টাকায় সেবা দিয়ে আসা এ সাত পুলিশ কনস্টেবল গত বৃহস্পতিবার নগর পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাদের নিজেদের কাজের কথা তুলে ধরেন এবং সমাজের অসহায় মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার জন্য ‘মানবিক পুলিশ ইউনিট’ গঠনের প্রস্তাব দেয়।
আর তাতে সায় দিয়ে নিজস্ব তহবিল থেকে এক লাখ টাকার অনুদান দিয়ে ইউনিট গঠনের ঘোষণা দেন সিএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান।