সোনালী ব্যাংক বাঁশখালী শাখায় চেক জালিয়াতি

নিজস্ব সংবাদদাতা

87

সোনালী ব্যাংক বাঁশখালী শাখার এক নারী গ্রাহকের হারিয়ে যাওয়া চেকবই থেকে জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে জাহেদা বেগম নামে এক গ্রাহকের সঞ্চয়ী হিসাব থেকে ৪০ হাজার টাকা তুলে নিলেও ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনরূপ ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। গত ১৯ নভেম্বর সংঘটিত এ ষ পৃষ্ঠা ১১, কলাম ৪.
ষ প্রথম পৃষ্ঠার পর
ঘটনার একমাস অতিবাহিত হলেও এখনো জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় অন্যান্য গ্রাহকরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বাঁশখালী সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নেপাল দত্ত পূর্বদেশকে বলেন, গ্রাহকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একজন আনসার সদস্যের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২৫ হাজার টাকা আমরা গ্রাহককে ফেরত দিয়ে বিষয়টি সমঝোতা করেছি। আর জড়িতদের বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনার শিকার গ্রাহকের এক নিকটাত্মীয় জানান, শাখার প্রহরায় নিয়োজিত আনসার সদস্য আব্দুল মান্নান টাকা তুলে নিয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু স্বাক্ষর চিহ্নিত করে টাকা প্রদানের দায়িত্বে থাকা ব্যাংক কর্মকর্তাও দায় এড়াতে পারেন না। উনি দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। ধারণা করছি এ টাকার ভাগ উনিও পেয়েছেন।
সূত্র জানায়, জালিয়াতির সাথে জড়িত আনসার সদস্য আব্দুল মান্নানকে অন্যত্র বদলি করার জন্য উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে একটি পত্র প্রেরণ করেছেন বাঁশখালী সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নেপাল দত্ত। এতে উল্লেখ করা হয়, সঞ্চয়ী হিসাব নং-৩৪০১৪৩১৭ এর গ্রাহক জাহেদা বেগমের চেক চুরি করে আনসার সদস্য আব্দুল মান্নান (আইডি নং-৫৮০৮৩) ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। পরে ১৫ হাজার টাকা ফেরত দিলেও বাকি ২৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে বাঁশখালী উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা রহমতউল্লাহ মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ ছিল। তবে উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার নীলকমল তালুকদার পূর্বদেশকে বলেন, তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনাটি তিনি শুনেছেন বলে জানান।