সীতাকুন্ডে মৃত ব্যাক্তির নামে দলিলে স্বাক্ষর নিয়ে চাঞ্চল্য

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

22

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের উত্তর সলিমপুর ৪নং ওয়ার্ডের আব্দুল মালেকের পুত্র সিরাজুল হক ২০০২ সালের ৩০ মে মারা যান। কিন্তু তার মত্যুর ৮ বছর পর একটি জায়গার দলিলের আমমোক্তারনামায় (মৃত ব্যাক্তি) নামে স্বাক্ষর রয়েছে। মৃত্যুর ৮ বছর পর এ স্বাক্ষর নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সিরাজুল হকের পরিবার দাবি, সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্র জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের জায়গা-জমি গ্রাস করার চেষ্টা করছে। এব্যাপারে সিরাজুল হকের নাতি শহিদুল ইসলাম রনি বাদি হয়ে চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, উত্তর সলিমপুর ৪নং ওয়ার্ডের আব্দুল মালেকের পুত্র সিরাজুল হক ২০০২ সালের ৩০ মে মারা যান। তার একটি জায়গার ৮১১৭নং আমমোক্তারনামা দলিল ২০১০ সালের ১১ আগস্ট দলিল সৃজন হয়। উত্তর সলিমপুর এলাকার নুরুজ্জমার পুত্র মো. বাবুল হক ও তার অপর দুইভাইয়ের নামে। এতে সনাক্তকারী হিসেবে নগরের আকবর শাহ থানার আমীর আহাম্মদের পুত্র মো. দিদার আলমকে দেখানো হয়। উক্ত আমমোক্তনামায় সিরাজুল হককে জীবিত দেখিয়ে দলিলটি সম্পাদন করে। কিন্তু দলিল সম্পাদনের প্রায় ৮ বছর আগে আমমোক্তনামা দাতা সিরাজুল হক মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর পর সিরাজুল হকের ওয়ারিশরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে মৃত্যুর তারিখ লিপিবদ্ধ করেন। যাহা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকর্তৃক স্বাক্ষরিত পরিষদে রয়েছে। মামলার বাদি শহিদুল ইসলাম রনি জানান, আমার নানা সিরাজুল হক মৃত্যুর ৮ বছর পর কিভাবে দলিলে স্বাক্ষর করেছে তা হাস্যকর। বাবুল ও দিদার নামের ভূমি-দস্যু চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জাল দলিল তৈরি করে লোকজনের সাথে প্রতারণা করে আসছে। এদিকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দীন আজীজও সিরাজুল হকের মত্যুর বিষয়টি পরিষদে লিপিবদ্ধ করে সত্যায়িত করেছেন। এতে তার মত্যুর তারিখ দেখানো হয়েছিল ৩০ মে ২০০২ সাল। অপরদিকে এসব বিষয়ে জানতে দলিল গ্রহিতা বাবুলের মুটোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও ফোনটি সাময়িক বন্ধ পাওয়া বক্তব্য পাওয়া যায়নি।