ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেছে পিকনিকের বাস

সীতাকুন্ডে প্রাণে বাঁচলেন ৪৫ যাত্রী

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

19

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ইকোপার্ক সংলগ্ন রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় পিকনিক বাসের পিছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসে থাকা ১৫ জন ছাত্র ও অভিভাবক আহত হন। আহতদের তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান। গত বুধবার ফেনি দারুল আরক্বাম মাদ্রাসা থেকে ইকোপার্কে বেড়াতে আসা পিকনিকের বাসের সাথে ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ৯ জন ছাত্র-ছাত্রী ও অন্যরা অভিভাবক। আহতরা হলেন মো. মুজাহিদ(১০), আবুল হোসেন(১৬), ফারজানা আক্তার মুন্নি (১৫), সাঈদ হাসান(১৫), আবদুল আউয়াল((১৪), ফয়সাল আহাম্মেদ (১৫), ইমন(১১), মো.মঈন উদ্দিন(১১), অভিভাবক মো. দাউদ(৪৫), শিরিন আক্তার কমলা(৪৬), মাসুদা বেগম(৪৩), বাকি অভিভাবকদের নাম জানা যায়নি।
জানা যায়, বুধবার সকালে ফেনি জেলার দারুল আরক্বাম মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী মিলে ২৪৫ জন ৫ টি বাস নিয়ে সীতাকুন্ডের ইকোপার্কে বেড়াতে আসে। ৪/৫ ঘন্টা বেড়ানোর পর অন্যত্র বেড়ানোর উদ্দেশ্যে এক এক করে ইকোপার্ক রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় শেষ বাসটির পেছনের অংশে ট্রেনের ধাক্কা লাগে। এতে বাসের পেছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে বাসে থাকা ৪৫ যাত্রীর মধ্যে থেকে ১৫ জন অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়েছে। বিষয়টি শুনার খুব অল্প সময়ের মধ্যে সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিস আহতদের উদ্ধার করে সীতাকুন্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর ৩ জনের অবস্থা কিছুটা আশংকাজনক হওয়ায় কতব্যরত চিকিৎসক তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা ওয়াসি আজাদ জানান, ‘মাদ্রাসা থেকে ছেড়ে আসা ৫টি বাসে আনুমানিক ২৪৫ জন যাত্রী ছিল। বুধবার দুপুর ২টার সময় রেল ক্রসিং করার সময় কয়েকটি বাস পার হওয়ার পর ওই বাসটির পেছনে ট্রেনের ধাক্কা লাগে। বাসটিতে ৪৫ জন যাত্রী ছিল। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে সীতাকুন্ড মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্ত্যব্যরত ডাক্তার গুরুতর আহত ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে কোন নিহতের ঘটনা ঘটেনি।’
ক্রসিংটিতে এ কোন লাইনম্যান না থাকায় এর আগেও বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আহত ও নিহত হয়েছিল।