শিওরসেল মেডিকেলের ২ বছর উদযাপন

সার্জারি ছাড়াই ৮০ শতাংশ রোগীর ব্যথামুক্ত জীবন

নিজস্ব প্রদিবেদক

37

শিওরসেল মেডিকেল চট্টগ্রাম কাজ করে রিজেনারেটিভ ট্রিটমেন্ট তথা পিএ-পিআরপি ও স্টেমসেল নিয়ে। পিএ-পিআরপি ও স্টেমসেল থেরাপিতে চট্টগ্রাম শিওরসেলের চিকিৎসায় শতকরা ৮০ শতাংশ রোগী ব্যথা মুক্ত জীবন-যাপন করছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত টেকনোলজি পিএ-পিআরপি ও স্টেমসেল ব্যবহার করে গত দুই বছরে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে শিওরসেল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে নগরীর প্রবর্তক মোড়ে অবস্থিত শিওরসেল মেডিকেলের ২ বছর উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
গত দুই বছরে শিওরসেল চট্টগ্রাম মোট ১ হাজার ৪৯৬ জন রোগীকে এ চিকিৎসা দিয়েছে এবং এর মধ্যে ৮০ শতাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ। ব্যথামুক্ত জীবন যাপন করছেন ২০ শতাংশ এবং ৭০ শতাংশ রোগী সুস্থ আছেন। এ পদ্ধতিতে রোগীর রক্ত কোষ (পিআরপি) ও চর্বি (স্টেমসেল) ব্যবহার করা হয়। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। হাঁটু, কোমর, ঘাড়সহ অন্যান্য জয়েন্টের ক্ষয়জনিত রোগ অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিস এর ক্ষেত্রে এ চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া পিএ-পিআরপি ও স্টেমসেল অন্যান্য রোগ যেমন স্পোর্টস ইঞ্জুরি, চুল পড়া রোধ ও নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাবেদ জাহাঙ্গীর তুহিন শিওরসেল মেডিকেলের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। ঢাকা শিওরসেল এর কনসালটেন্ট ডা. এ কে এম মহিউদ্দিন বলেন, ঢাকা শিওরসেল এ ৮ হাজার জন রোগী চিকিৎসা করে শতকরা ৯০ ভাগ সাফল্য অর্জন করেছি। শিওরসেল চট্টগ্রাম এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. মো. আব্দুর রব বলেন, চট্টগ্রামের রোগীদের অত্যাধুনিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের এ প্রচেষ্টা। ভবিষ্যতে আরো কিছু নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে শিওরসেল চট্টগ্রামবাসীকে সেবা দিয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কালারস অফ লাইফের প্রেসিডেন্ট শাকিলা গাফফার এবং সৃষ্টি কালচারাল ইনস্টিটিউটের সভাপতি উম্মে হাবিবা আঁখিসহ শিওরসেল মেডিকেলের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে বিশ্বব্যাপি এ পদ্ধতিতে ব্যথার চিকিৎসা হয়ে এলেও বাংলাদেশে যাত্রা শুরু হয়েছে গত ২ বছর ধরে ঢাকাতে এবং চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে। সেই থেকে অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান শিওরসেল মেডিকেল নগরীর প্রবর্তক মোড়ে আল নূর বদরুন সেন্টারের ৪র্থ তলায় রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে।