সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ছে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন

18

দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি। দীর্ঘদিন থেকে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি চলছে। বিগত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হওয়ার পর ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষিত হয়। এরপর ৪ এপ্রিল, পরে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল, ১৪ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল, সর্বশেষ ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। নতুন করে এ ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পেশ করা হচ্ছে। সাধারণ ছুটির পাশাপাশি দিন দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা রোগী। পরীক্ষাগারগুলোতে নমুনা পরীক্ষার জট বাড়ছে। তার সাথে বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা। অসংখ্য দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও নিমনমধ্যবিত্ত মানুষ ত্রাণের অভাবে জীবন যাত্রায় হাঁফিয়ে ওঠছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ী, গণপরিবহন শ্রমিক এবং দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি। সাধারণ ছুটির কারণে করোনা পরিস্থিতির কোন অগ্রগতি চোখে পড়ছে না।
এদিকে সারাদেশের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা হতে অনেক দূরে অবস্থান করছে বর্তমানে। অনলাইনে শিক্ষা সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছছে না। অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ করে সার্বিক শিক্ষার্থীর শিক্ষা সমস্যা সমাধানের উপযোগী হয়ে ওঠেনি বাংলাদেশ। শতকরা দুইভাগ শিক্ষার্থীও অনলাইনে শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারছে না। অথচ সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এদেশের শিক্ষার্থীদের সমূহ ক্ষতির ব্যাপারে বড়ো উৎকণ্ঠায় রয়েছে। পরীক্ষার ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন এনে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার পক্ষে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। কারণ সামাজিক দূরত্বের ব্যাপারে সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অনুষ্ঠান সম্ভব হলে সেশনজট এবং শিক্ষার্থীদের চাকুরির বয়স ইত্যাদির ব্যাপারে সহায়তা করা প্রয়োজন। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট বাড়ছে, অন্যদিকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জীবন থেকে একবছর/ কমপক্ষে ছয়মাস পিছিয়ে পড়ার ক্ষতি থেকে তাদের রক্ষা করা যেত। সাধারণ মানুষের চেয়ে আমাদের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা করোনা ভাইরাসজনিত বিষয়ে অধিক সচেতন বলে মনে হয়। তাদের স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক তথা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে সচেতন করা হলে তারা সাধারণ অশিক্ষিত ও কর্মজীবী মানুষের চেয়ে বেশি পরিমাণে সচেতনতার পরিচয় দিতে পারবে এমন বিশ্বাস একেবারে অমূলক নয়। দেশের শিক্ষার্থীরা পরিবহন নৈরাজ্য ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল তা প্রত্যক্ষ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া বাকী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলে তেমন ক্ষতি হয়তো নাও হতে পারে। করোনা যদি বছর দুয়েক বিশ্বে অবস্থান করে তবে দেশের গণপরিবহন শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের অবস্থা কি হবে তা দেশের নীতি নির্ধারণী মহলের ভেবে দেখা জরুরি। ঘরে বসে থাকার চেয়ে করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের মানুষ কতটুকু সচেতন তা বিবেচনায় আনা প্রয়োজন-এমন মন্তব্য দেশের সচেতন মানুষের।শে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি। দীর্ঘদিন থেকে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি চলছে। বিগত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হওয়ার পর ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষিত হয়। এরপর ৪ এপ্রিল, পরে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল, ১৪ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল, সর্বশেষ ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। নতুন করে এ ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পেশ করা হচ্ছে। সাধারণ ছুটির পাশাপাশি দিন দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা রোগী। পরীক্ষাগারগুলোতে নমুনা পরীক্ষার জট বাড়ছে। তার সাথে বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা। অসংখ্য দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও নি¤œমধ্যবিত্ত মানুষ ত্রাণের অভাবে জীবন যাত্রায় হাঁফিয়ে ওঠছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ী, গণপরিবহন শ্রমিক এবং দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি। সাধারণ ছুটির কারণে করোনা পরিস্থিতির কোন অগ্রগতি চোখে পড়ছে না।