সাইন্স ফিকশন সম্পর্কে জানো

55

*১৮৮২ সালে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সাইন্স ফিকশন লিখেন হেমল দত্ত যেটি বিজ্ঞান দর্পণ নামে একটা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
*কিন্তু বাংলা সাহিত্যে সাইন্স ফিকশনের জনক বলা হয় স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুকে তিনি ১৮৯৬ সালে প্রথম সাইন্স ফিকশন লিখেন।
*বাংলা সাহিত্যে প্রথম সাইন্স ফিকশন লিখেন জগদানন্দ রায় ১৮৭৯। বইটির নাম ছিল ‘শুক্রভ্রমণ’। এর পরে হেমলাল দত্ত ১৮৮২ সালে ‘দর্পণ’ পত্রিকায় ‘রহস্য উপন্যাস’ লিখে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। জগদীশ চন্দ্র বসুকে বাংলা সাইন্স ফিকশনের জনক বলা হয়। জগদীশ চন্দ্র বসু বহির্জাগতিক প্রাণের দেখা পাওয়ার বিশ্বাস থেকে ‘সাইন্স ফিকশন’ নির্ভর সাহিত্য রচনার শুরু। ১৮৯৬ সালে লেখা ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’ বাংলা সাইন্স ফিকশনের ইতিহাসে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
*মুহম্মদ জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশন এর বই সমূহের নাম :
কপোট্রনিক সুখ দুঃখ (১৯৭৬), মহাকাশে মহাত্রাস (১৯৭৭), ক্রুগো (১৯৮৮), ট্রাইটন একটি হ্রদের নাম (১৯৮৮), বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার (১৯৯২),ওমিক্রমিক রূপান্তর (১৯৯২), টুকুনজিল (১৯৯৩), যারা বায়োবট (১৯৯৩), নি:সঙ্গ গ্রহচারী (১৯৯৪), ক্রোমিয়াম অরণ্য (১৯৯৫), ত্রিনিটি রাশিমালা (১৯৯৫), নয় নয় শূন্য তিন (১৯৯৬), অনুরণ গোলক (১৯৯৬), টুকি ও ঝায়ের (প্রায়) দুঃসাহসিক অভিযান (১৯৯৭), রবো নগরী (১৯৯৭), একজন অতিমানবী (১৯৯৮), সিস্টেম এডিফাস (১৯৯৮)
মেতসিস (১৯৯৯), ইরন (২০০০), জলজ (২০০০), ফোবিয়ানের যাত্রী (২০০১),প্রজেক্ট নেবুলা (২০০১), ত্রাতুলের জগৎ (২০০২), বেজি (২০০২), শাহনাজ ও ক্যাপ্টেন ডাবলু (২০০৩), সায়রা সায়েন্টিস্ট (২০০৩), ফিনিক্স (২০০৩), সুহানের স্বপ্ন (২০০৪), অবনীল (২০০৪), নায়ীরা (২০০৫), বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা (২০০৫), রুহান রুহান (২০০৬), জলমানব (২০০৭), অন্ধকারের গ্রহ (২০০৮), অক্টোপাসের চোখ (২০০৯), ইকারাস (২০০৯), রবোনিশি (২০১০), প্রডিজি (২০১১), কেপলার টুটুবি (২০১২), বø্যাক হোলের বাচ্চা (২০১৩), এনিম্যান (২০১৪), এখন তখন মানিক রতন (২০১৪), সেরিনা (২০১৫)
ক্রেনিয়াল (২০১৬), রিটিন (২০১৭), ত্রাতিনা (২০১৮)।
আর তাঁর লেখা ভৌতিক গল্পগুলো হল
প্রেত-(১৯৮৩), নিশিকন্যা-(২০০৩), ছায়ালীন-(২০০৬),ও-(২০০৮), দানব-(২০০৯), অন্যজীবন-(২০১৬),পিশাচিনী-(১৯৯২)।

-তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া