সবজির বাজারে স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

29

ভোগ্যপণ্যের সাথে সবজির দাম নিয়ে বিগত রমজানগুলোতে অসন্তোষ থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। কাঁচা বাজারগুলোতে সবজির দামে স্বস্তির পাশাপাশি কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের দামও। তারপরেও পাইকারি বাজারের সাথে খুচরা বাজারে দামের তফাৎ প্রায় দ্বিগুণের মতোই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের আগেই গ্রীষ্মকালীন সবজির মৌসুম শুরু হওয়ার কারণে বাজারে সরবরাহ বেশি। তাই দাম স্বাভাবিক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার নগরীর চকবাজার ও রিয়াজউদ্দিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজি ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। পেঁয়াজ কজি ২০-২৫ এবং রসুন ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ঝিঙে কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, লাউ ৩৫-৪০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, আলু ২২ টাকা, তিতকরলা ৫০ টাকা, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, কাকরল ৩০-৩৫ টাকা, ঢেঁড়স ৩০-৪০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, কচুর লতি ৪০-৪৫ টাকা, চাল কুমড়া (জালি) ৫০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ২০-২৫ টাকায় বিক্রি হয়। তবে কাজির দেউড়ি বাজারে সবগুলো সবজির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি। সবজি বিক্রেতারা বলছেন, ‘ঝড়-বৃষ্টির কারণে সামনের দিনগুলোতে সবজির সরবরাহ কমে গেলে দাম আবারো বাড়তে পারে।
বাজারে মিঠা পানির মাছের দাম কিছুটা বাড়লেও স্বাভাবিক রয়েছে সামুদ্রিক মাছের দাম। কাতলা মাছ কেজি ২৬০-৩৫০ টাকা, রুই মাছ ২২০-৩০০ টাকা, তেলাপিয়া সাইজভেদে ১৪০-১৮০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০-১৫০ টাকা, বোয়াল মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, শিং মাছ ৬৫০-৭০০ টাকা, দেশি কৈ মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা, চিংড়ি (বড়) ৭০০-৮০০ টাকা ও চিংড়ি ছোট ৪০০-৫৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
সামুদ্রিক মাছের মধ্যে কোরাল কেজি ৪৫০-৬০০ টাকা, দাতিনা ৭০০-৭৫০ টাকা, রূপচান্দা সাইজভেদে ৭০০-১০০০ টাকা, কালিচান্দা ৫০০-৫৫০ টাকা, ছুরি মাছ ৩০০ টাকা, বোল পোয়া ২৬০-৩২০ টাকা, সুরমা ৫০০ টাকা ও লইট্টা মাছ ৯০-১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে রমজানের শুরুতে দাম বেশি থাকলেও গতকাল প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৩৫ টাকায়। সোনালী জাতের মুরগী (কক) কেজি ২৭৫-২৮০ ও দেশি মুরগি ৩৬০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মহিষের মাংস ৬০০ এবং গরুর মাংস বিক্রি হয় কেজি ৬৫০ টাকায়। খাসির মাংস গত সপ্তাহের মতো প্রতিকেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়।