সবজিতে স্বস্তি

ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, বেগুনের দাম অর্ধেকে নেমেছে নতুন আলু-টমেটো বিক্রি হচ্ছে কেজি ১২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

16

বাজারে কমতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজির দাম। বিশেষ করে সপ্তাহের ব্যবধানে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, বেগুনের দাম অর্ধেকে নেমেছে। কমেছে অন্যান্য সবজির দামও। তবে শীতের নতুন আলু ও দেশি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজিতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে ‘শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, বাধাকপি, মুলা, বেগুনে ভর্তি নগরীর কাঁচাবাজার। দৈনন্দিন বাজার বাদেও রিকশাভ্যানে নগরজুড়ে ফেরি করছেন ভাসমান ব্যবসায়ীরা। স্থায়ী দোকানগুলোর চেয়ে ভাসমান দোকানগুলোতে মৌসুমি এসব সবজির দাম অনেক কম।
নগরীর কর্ণফুলী মার্কেট কাঁচাবাজারে দেখা গেছে, ফুলকপি প্রতিকেজি ৪০ হতে ৪৫ টাকা টাকা, বাধাকপি ৩০ হতে ৩৫ টাকা, বেগুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ফুলকপি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বাধাকপি ৪৫ থেকে ৬০ টাকা, মুলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। অন্যদিকে নতুন আলু (ভারতীয়) ১২০ টাকা ও দেশি নতুন টমেটো প্রতিকেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
তাছাড়া অন্য সবজির দামও প্রতিকেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাজারে বরবটি ৬০ টাকা, তিতকরলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা, শসা, খিরা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর চড়া ৫০ টাকা, লাউ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া (পাকা) ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচা মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে
প্রতিকেজি ৩০ থেকে ৬০ টাকা, ধনিয়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।
তবে রিকশাভ্যানে ভাসমান দোকানগুলোতে একই সবজি অপেক্ষাকৃত কম দামে বিক্রি হয়েছে। নগরীর এনায়েত বাজার এলাকায় কথা হলে ভ্যানে করে সবজি বিক্রেতা জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের মাঝেমধ্যে পুলিশকে টাকা দিতে হয়। কিন্তু দোকান ভাড়া নেই। যে কারণে খরচ কম। তাই যত বেশি বিক্রি হয় তত বেশি আয় হয়। সেজন্য বাজারের চেয়ে কম দামে আমরা সবজি বিক্রি করতে পারি।‘ জালাল উদ্দিনের ভ্যানে ফুলকপি, বাধাকপি, মুলা, বেগুন ও কাঁচামরিচ রয়েছে। তিনি ৪০ টাকায় ফুলকপি, ৩০ টাকা বাধাকপি, ৩৫ টাকায় বেগুন ও ৩০ টাকা কেজিতে কাঁচামরিচ বিক্রি করছেন।
এদিকে কর্ণফুলী বাজারে মাছের দামও স্থিতিশীল রয়েছে। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে সামুদ্রিক মাছের যোগান বেড়েছে। মিঠা পানির মাছের মধ্যে কাতলা ২২০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা ও কার্পু ২৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
বাজারটিতে বোয়াল মাছ কেজি ৪৫০ টাকা, টেংরা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, জ্যান্ত শৈল মাছ ৫৫০ টাকা, জ্যান্ত শিং ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, দেশি কোরাল ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সামুদ্রিক মাছের মধ্যে ইলিশ বিক্রি হয়েছে কেজি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, রুপচান্দা আকারভেদে ৫৫০ থেকে ৮০০ টাকা, কালিচান্দা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, কই কোরাল ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, লাক্ষ্যা মাছ ১২০০ টাকায়।
বাজারে গরুর মাংস কেজি (হাড়ছাড়া) ৬০০ টাকা, হাড়সহ ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।