একুশের বইমেলায় জসিম উদ্দীন চৌধুরী

সংস্কৃতি বিকাশের মঞ্চ বইমেলা

11

বাঙালির মনন কিংবা চিন্তার জগতে সূক্ষ অনুভূতিকে যে কয়জন কবি-সাহিত্যিক শক্তভাবে নাড়া দিতে সক্ষম হয়েছিলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাদের মধ্যে অন্যতম। বাংলা সাহিত্যের বরপুত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান সবার উপরে। কবিগুরুর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে যেমন উপভোগ করেছেন তেমনি তাঁর সৃষ্টিশীল রচনা আমাদের চলমান জীবনে এক অমৃত শক্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।
সোমবার বিকেলে নগরীর সিজেকেএস জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত ও সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের সহযোগিতায় শুরু হওয়া অমর একুশে বইমেলা মঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দৈনিক পূর্বকোণের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন।
আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আনোয়ারা আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রকৌশলী আলী আশরাফ, মেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, আবু সাইয়েদ সরদার, দেওয়ান মুকসুদ।
বইমেলার অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীতানুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, একক আবৃত্তি, দলীয় নৃত্য ও একক সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ওয়াই ফাই জোন উদ্বোধন করেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে বইমেলা একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়। স্বাধীনতার পর মুক্তধারা স্ব উদ্যোগে প্রথম বইমেলার আয়োজন করে। আর ১৯৭৮ সালের দিকে বাংলা একাডেমি প্রাতিষ্ঠানিক বইমেলা চালু করে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বইমেলার নাম দেয়া হয় একুশে বই মেলা। এ নামকরণের মধ্য দিয়ে চলে আসছে অমর একুশে বইমেলা। সংস্কৃতির নানা উপকরণের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে প্রাণের মেলা। তিনি বলেন, বইমেলা হলো আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম মঞ্চ। এখানে এসে মানুষ এক অনাবিল আনন্দ স্রোতে অবগাহন করে। আহরণ করে নতুন প্রাণশক্তি। খবর বিজ্ঞপ্তির