সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ পেকুয়ায় জাহাঙ্গীরের অপকর্মে বিব্রত স্থানীয় আওয়ামী লীগ

18

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়া যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের অপকর্মে বিব্রত স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। জমি দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ধর্ষণ, ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা কর্মকাÐের কারণে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের কাছে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন। গতকাল শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পেকুয়া উপজেলার স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী হাজী মকছুদ আহমদ এমন অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কিন্তু আমরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছি যুবলীগের কথিত উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের রাহুগ্রাসে। জাহাঙ্গীর আলম যুবলীগে ঘাপটি মেরে থাকা বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের প্রেতাত্বা।’ হাজী মকছুদ বলেন, ‘ইয়াবা ও অস্ত্রসহ আটক মামলায় ২১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম আমার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ধার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তা পরিশোধ করছে না। এ ব্যাপারে চাপ দিলে তার চার সহোদর আজম, কাইয়ুম, আলমগীর ও বাপ্পিকে দিয়ে আমার পরিবারের চারটি দোকান জোর করে দখলে নেয়। আমাদের অস্ত্রের মুখে জিন্মি করে আমার কাছ থেকে খালি স্টাম্পে স্বাক্ষর করে নেয়। এ ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ করায় সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নাজিম নামে স্থানীয় দুই সাংবাদিককে শারীরিক নির্যাতন করে জাহাঙ্গীর বাহিনী।’
সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলমকে দলীয় পদ থেকে বহিস্কার ও গ্রেপ্তাররের দাবি জানানো হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মকছুদ আহম্মদের বড় ছেলে মো. জামসেদ উদ্দিন, বড় মেয়ে আয়েশা ছিদ্দিকা, পুত্র আবদুল্লাহ আল মামুন, মেয়ে শামীরা সুলতানা এ্যালি, ইশমু জান্নাত ডলি প্রমুখ।