চবি রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরামের সভায় বক্তারা

শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে

6

‘‘শিশুর সাথে শিশুর তরে, বিশ্ব গড়ি নতুন করে’’ প্রতিপাদ্যে ২০ নভেম্বর চট্টগ্রামে বিআরটিসি বাস কাউন্টার সংলগ্ন অপরাজেয় বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরাম’ উদ্যোগে ও ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেইঞ্জ মেকারের সার্বিক সহযোগিতায় বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে উন্নত মানের খাবার ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরাম-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’র সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুর রহমান শিহাবের সঞ্চালনায় উন্নত মানের খাবার ও উপহার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউমেন রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট চট্টগ্রামের নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়ন জি.এম.সাইদুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন ফাইট ফর উইমেন রাইটস’র সভাপতি এ্যাডভোকেট রেহানা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসডিজি ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ট্রাভেল ও লজিস্টিকস বিভাগের ম্যানেজার শেখ ইমরান হোসেন। এ্যাডভোকেট রেহানা বেগম রানু বলেন, পরিবার সমাজের একটি প্রাথমিক সংগঠন। শিশুর মেধা ও মননের বিকাশে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র যদি শিশুদের সুরক্ষা ও সহায়তা দিতে পারে তাহলে শিশুরাও ভবিষ্যতে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ পালনের যোগ্য হয়ে উঠবে। একটি নিরাপদ ও ভালোবাসা পূর্ণ জীবন শিশুদের জন্য নিশ্চিত করলেই কেবল তাদের যথাযথ মানসিক বিকাশ সম্ভব। নোমান উল্লাহ বাহার বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শিশুরা নিজেদের অবহেলিত না ভেবে নিজেদের সুপ্ত প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এসডিজি বাস্তবায়নে অধিকারবঞ্চিত শিশুদের সমাজের অগ্রযাত্রার মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে হবে। লায়ন জি.এম. সায়েদুর রহমান বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত শিশুদের কল্যাণার্থে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাহাযার্থে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান শ্রেণীর সকলকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য সব মহলের সম্মিলিত সহায়তার বিকল্প নেই।