শিক্ষায় সফলতার জন্য স্কাউটিং জরুরি

মুহম্মদ আবু তৈয়ব

13

প্রায় চল্লিশ বছর আগে একটা সংবাদ সবাইকে নাড়া দিয়েছিল। কলিল নামক এক নরপিশাচ (?) ঢাকা হাসপাতালের মর্গের লাশদের মরদেহের কলিজা রাতে গোপনে খেত। মানুষ হয়ে মরা মানুষের কলিজা খাওয়াÑ খবরটা মন খারাপ করারই কথা। সাম্প্রতিক অপর একটি খবরÑ বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা। কি নির্মম ও পাশবিকভাবে তাকে তারই সর্তীথরা ছয় ঘন্টা ব্যাপী দুই দফায় পিটিয়ে হত্যা করল। কারা করল, জাতীর শ্রেষ্ঠ মেধাবী (?) একদল ছাত্র, অপর মেধাবীকে হত্যা করল। আবরারের অপরাধ ভিন্ন মত পোষণ করা। এতেই অসহিঞ্চু হয়ে উঠলো হত্যাকারীরা। সেই অসহিঞ্চুতাই হল অথচ জাতীয় অগ্রগতির পথে বড় প্রতিবন্ধকতা। সংবাদগুলো পূন: নজরে আনার জন্য এই সব উল্লেখ করা নয়। ঘটনার পিছনের ঘটনায় মনস্তাত্তি¡ক, সামাজিক ও নিউরোলিস্টদের ব্যাখ্যাগুলো সামনে আনার জন্য।
মানুষ অন্ধকারগুহা থেকে এই সভ্য ও আধুনিক সমাজে আসতে পেরেছেÑ মানুষের ক্রমবিকাশমান সংগ্রামশীলতার ভিতর দিয়ে পূর্নতর মানুষের স্তরে পৌঁছার অভিপ্রায়ে। ফলে মানুষ একদিকে মন-মননে মূল্যবাধের স্থায়ী কাঠামোতে আবদ্ধ না থেকে সৃষ্টিশীলতায় দর্শনের যুগে প্রবেশ করতে হল। আবার জীবনকে আরও নিরাপদে, স্বস্তিতে, আনন্দে রাখার জন্য এসে পড়ল বিজ্ঞানের যুগে, তথ্য প্রযুক্তির যুগে। অন্যদিকে বস্তুগত নানা উপাদানের প্রাচুর্যে জীবনকে দুর্বিনিত দৈহিক সীমাবদ্ধতার প্রসার ঘটায়ে চলেছি। এতে সীমাহীন যাত্রায় গতিই পুজিত, বিরতীতে নয়। ফলে আমরা কি অনিশ্চিত কোন এক অনাকাক্সিক্ষত বø্যাক হোল, অন্ধকারের থাবার দিকে ধাবমান হচ্ছি না তো। তবে মনো সামাজিক বিজ্ঞান তারই পূর্বভাস দিচ্ছে। আর আমাদেরকে সর্তক করে দিচ্ছে বস্তুগত প্রাচুর্যের চাপে তথ্য প্রযুক্তির নানা উপাদান ও ডামাঢোলে আমাদের মন-মনন ক্ষয়ে যাচ্ছে আর সংস্কৃতিতে ক্যানসারের মত মরণ ব্যাধির উপসর্গ দেখা দিচ্ছে।
প্রকৃতি ও প্রবৃত্তির উপর আদিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে মানুষ সংস্কৃতিবান তথা মন-মননে রুচিশীল ও জীবনকে নানা বস্তুগত উপাদানে উপভোগ্য করে তুলেছে। এসব আমাদের মস্তিস্কে নানা পরিবর্তন ও বিকাশের মাধ্যমে জন্মথেকে জন্মান্তরে সঞ্চারিত ও সঞ্চিত হয়ে আসছে। বিজ্ঞানীরা জানান দিচ্ছে, মস্তিস্কের ডান অংশ মন-মনন, সৃজনশীলতা, মূল্যবোধ, চেতনা ইত্যাদি ধারণ করে ও বিকাশমান রাখে। যেমন কবি, সাহিত্যিক, গায়ক, শিল্পীদের বেলায় – যার জন্য মস্তিস্কের ডান পাশের বিকাশের মাত্র তাদের বেশি হয়, অপর দিকে হিসাব নিকাশ, সঞ্চয়, সম্পত্তি বাড়ানোর লিপসা ইত্যাদি বিষয় মস্তিস্কের বাম অংশ ধারণ করে ও বিকাশমান রাখে। যার জন্য আমরা যাদেরকে সিনেমা-নাটকে নিষ্ঠুর মোড়ল দেখি, অর্থের বিবেচনায় যাদেরকে কুঞ্জুস বলি, স্বার্থবাদী বলি, তাদের মস্তিস্কের বাম পাশের বিকাশের বা উন্নয়নের মাত্রা বেশি হয় ডান পাশের তুলনায়।
এখন কার ডান পাশ বিকশিত হবে, আবার মস্তিস্কের কার বাম পাশ বিকশিত হবে তা নির্ভর করে, আমরা যতই বলি না কেন নিজের উপর, নিজের প্রচেষ্টার উপর তা পুরাপুরি সঠিক নয়। কোন পাশ বা অংশের বিকাশ বেশি হবে তা নির্ভর করে ব্যাক্তিটি যে সংস্কৃতির বলয়ে থাকে সেই সংস্কৃতির গুনগত মাত্রা ও মূল্যবোধের উপর। অন্য জায়গায় বলেছি জীবনকে বাঁচাতে, জীবনকে বাঁচানোর জন্য নিরাপত্তার জন্য,মানুষ সুস্থ থাকার জন্য, জীবনকে উপভোগ ও আনন্দময় করে তোলার জন্য শত বছরের সংগ্রামের পথে যে আচরণ ও সম্পদ-সম্পত্তি আমাদের উত্তারাধিকারি করে গেছে তাই সংস্কৃতি, সংস্কৃতি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। অনেকটা মাছের জন্য পানি যেমন মানুষের জন্য সংস্কৃতি তেমন। তাই সচেতন না হলে পানি দূষণ তথা সংস্কৃতির ক্ষয় বা অপসংস্কৃতির প্রার্দুভাব ঘটে।দূরদর্শীরা তা দেখলে,বুঝতে পারলেসেই দূষণেএত দুঃচিন্তায় পড়ে ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সামাজিক ও সংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলে।
দূষিত পানিতে যেমন মাছ থাকলেও সে-সব মাছ নানা রোগে আক্রান্ত হয়। তেমনি দূষিত সংস্কৃতি বা অপসংস্কৃতিতে ভাল মানুষ মননশীল মানুষ, সৃজনশীল মানুষ সুস্থ থাকতে পারে না, তৈরি হয়ে উঠতে পারে না। আগ্রহের ব্যাপার হল এই সভ্য সংস্কৃতির গুণাবলী চাইলেও এমনি এমনি ধারণ করা যায় না। টাকা-পয়সা, সোনা-চাদির মত তা যোগাড় করা যায় না। ধারাবাহিক ও নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে, দেখার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। সেই চর্চা ও দেখার ধৈর্য আমাদের এখন কমেগেছেÑ আমরা এক অস্থির সময়ের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি।
আলো-বাতাস জীবনের জন্য অপরিহার্যÑ তা আমরা সহজে বুঝি না, যে পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে, একটু বাতাসের জন্য ,শ্বাসের জন্য চটপট করছেÑ সে বুঝে বাতাসের কত গুরুত্ব। সন্তানদের ,শিক্ষার্থীদেরকে আমরা সংস্কৃতিবান হিসাবে গড়ে তুলবÑ তা ভাবতে পারি না। শুধু ভাবতে পারি পাশের পর পাশ দিয়ে, ক্লাশের পর ক্লাশ ডিঙ্গিয়ে তথা উচ্চ নম্বরের সিড়ি দিয়ে উঠার বিষয়টি। সন্তান এ-প্লাস পেলে জালে বড় মাছ পড়ার মত খুশীতে লাফিয়ে উঠি কিন্তু যাচাই করে দিখি না, সেই মাছ রোগাক্রান্ত কিনা বা রাক্ষস মাছে পরিণত হয়েছে কিনা। যখন সেই মাছের দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে তাতে পুকুরের অন্যসব মাছ মরতে শুরু করে তখন আমরা হাঁ-হুতাশ করিÑ তখনতো সেই সব মাছ নিয়ে কিছু করার থাকে না।
বিজ্ঞানীরা জানান দিচ্ছেনÑ দূষিত অপসংস্কৃতির ভিতর দিয়ে বেড়ে উঠলে বা বড় ধরনের মানসিক জখম হলে মস্তিস্কের ডান বা বাম বলয়ের বিকাশ যথাযত ভাবে হতে পারে না। ফলে সেই কলিলের মত আংশিক বা ঊন-মানুষ তৈরি হয়।মর্গের মরা মানুষের কলিজা বাযকৃত খেতে এই ঊন-মানুষের অরুচি লাগে না। তার মানসিক বিধস্ততার জন্য সে টকটকে লাল আপেল ও যকৃত এবং স্বাদের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না। কলিলকে যতই আমরা নরপিশাচ বলি না কেন প্রকৃত পক্ষে সে পিশাচ না। পিশাচ হল সে যে দূষিত অপসংস্কৃতি হতে বেঁড়ে উঠেছে ,সে অপসংস্কৃতির জগতটাই পিশাচ তৈরির কারখানা। আমরা যেমন এডিস মশাকে নিয়ন্ত্রনের জন্য পরিবেশ সুস্থ রাখার কথা বলি, বুয়েট ছাত্র আবরারকে যে সব শিক্ষার্থীরা হত্যা করল তাদের মেধা থাকলে কি হবে, তাদের স্বার্থবাদিতা,উগ্র মানসিকতাই প্রকাশ করে তাদের পরিবার, সমাজ ও সময় ইত্যাদি মস্তিস্কের ডান অংশের সুষ্ঠু বিকাশের সহায়ক ছিল না। ক্ষয় হয়ে গিয়েছিল। মানব চরিত্র জটিল। আমরা সন্তানদের ভবিষ্যতের সাফল্যের জন্য তাদেরকে দিয়ে কঠোর হতে কঠোরতর পরিশ্রম করায়ে যাইÑ বইয়ে বন্দি রেখে। কিন্তু তাদের মন-মনন বিকাশের জন্য, সুস্থ মানুষ হয়ে উঠার জন্য, জল-হাওয়ার মত, দূষণ মুক্ত পানির মত সুস্থধারার সাংস্কৃতিক পরিবেশ দেওয়া প্রয়োজন তা আমরা সামষ্টিকভাবে,সামাজিকভাবে বুঝতে পারি না। পারি তখনই যখন কলিলের মত কলজে খাদক বা আবরার হত্যাকারিদের মত নরপিশাচদের আচরণ প্রকাশিত হয় তখন। তখনও আমরা ভেবে দেখি না এই রূপ কলিল তৈরি না হওয়ার জন্য, আবরার হত্যাকারী তৈরি না হওয়ার জন্য শুধু তাদেরকে শাস্তি দিলে, ফাঁসিতে ঝুলালে হবে না। সুস্থ ধারার, দূষণ মুক্ত সংস্কৃতিরও প্রয়োজন। যেখানে আর কোন আবরার হত্যাকারি তৈরি হবে না।
তাই বেশি বেশি প্রয়োজন, সন্তানকে, শিক্ষার্থীকে চিন্তা-মন-মননে বিকশিত হয়ে উঠতে পারার জন্য তাঁদেরকে ভালো কিছুর চর্চা করার জন্য, অনুশীলন করার জন্য, জীবনকে উপলব্ধি করার জন্য, তাদেরকে সাংস্কৃতিক নানা কর্মকান্ডে ব্যস্ত রাখা। তাদের সামনে মহৎ কাজের ক্ষেত্র দেওয়া, এ ক্ষেত্রে স্কাউটিং অন্যতম।
প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কাউটিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। আর্ন্তজাতিক এই সংগঠনের বর্তমান পঞ্চাশ মিলিয়ন স্কাউট সদস্য রয়েছে। ২১৬টি দেশ এখানে জড়িত। যাদের জন্য ১৭০টি ন্যাশনাল স্কাউট অর্গানাইজেশন রয়েছে। স্কাউটিং এর বর্তমান শ্লোগান হলÑ‘সুন্দরতর বিশ্ব সমাজ তৈরি করা’স্কাউটরা (কাব, স্কাউট ও রোভার) সুন্দরতর বিশ্ব সমাজ তৈরির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ নির্মান করতে হয় বর্তমান সময়ে। আমরা কেমন ভবিষ্যৎ চাই তা বর্তমান সময়ের কাজই বলে দেবে। তা প্রমাণিত হয়Ñ স্কাউট প্রতিজ্ঞা, আইন ওমূলমন্ত্রগুলোতে চোখ বুলালে।‘ স্কাউট প্রতিজ্ঞায় থাকেÑ‘সৃষ্টিকর্তা ও দেশের প্রতি কর্তব্য পালন, সর্বদা অপরকে সাহায্য করা, স্কাউট আইন মেনে চলা’। আবার স্কাউট আইনে আছে Ñ ‘আত্মমর্যাদার বিশ্বাসী হওয়া। সকলের বন্ধু হওয়া। বিনয়ীও অনুগত হওয়া। জীবের প্রতি সদয় হওয়া। সদা প্রফুল্ল থাকা। মিতব্যয়ী হওয়া, চিন্তা, কথা ও কাজে মিল থাকা।’ আর মূলমন্ত্রে আছেÑ ‘যথাসাধ্য চেষ্টা করা, সদা প্রস্তুত থাকা, সেবা করা’ ইত্যাদি।
এইসব কাজ করার জন্য , চেতনায় ধারণ করারজন্য ও চর্চা করার জন্য প্রত্যাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব দল,উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউট দল ও কলেজে রোভার দলের কার্যক্রম রয়েছ।সেখানে সদস্য হওয়া যায়। শরীর সুগঠনের জন্য জিম বা ব্যায়ামাগার ,আর মন-মানসিকতার সুস্থতার জন্য,মননশীল হয়ে উঠার জন্য স্কাউটিং।তবে এর জন্য ধৈর্য লাগে, মূল্যবোধের ক্ষেত্র লাগে।আমরা তো জানি ‘দৈহিক বসবাসের জন্য লোকে নুতন বাড়ি সহজে পছন্দ করতে পারে ঠিকই কিন্তু সুন্দর মানসিক বসবাসের জন্য নতুন বাড়ি তত সহজে তৈরি করতে চায় না বা পারে না’আসুন না, আমরা যারা অবরার হত্যাকান্ড দেখে আমাদের প্রজন্মদের নিয়ে, সন্তানদের নিয়ে আতংকিত হয়ে পড়েছি, অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনের আগ্রাসনে প্রত্যেক পরিবার সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। প্রজন্মদের ভবিষ্যৎ নির্মানের জন্য কাজ শুরু করে দেই।
সন্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে স্কাউটিং কার্যক্রম চলছে তাতে সন্তানকে সম্পৃক্ত করে দিই। প্রতিষ্ঠানের সহশিক্ষাপাঠক্রমে অংশ গ্রহনের জন্য উৎসাহিত করি ,পাড়া মহল্লার পাঠাগারগুলো আরও সক্রিয় করি এবং পরিবারের সকল সদস্য মিলে সপ্তাহে অন্তত একদিন কোথাওআশেপাশে বেড়াতে নিয়ে যাই। তাও না পারলে বাড়ীরছাদে বা খাবার টেবিলে একসাথে বসে খাই। আর সেখানে আমাদের সু-অভ্যাসগুলো প্রকাশ করতে উৎসাহিত করি। তখন প্রফেসর আবদুল্লাহ আবু সাইদ স্যার হতাশা ব্যক্ত করে যে কথা বলেছেনÑ আমরা সমাজের মানুষরা একত্রে থাকলেও আমাদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন নেই,সংবেদনশীলতা নেই, বালির স্তুপের মত। একটু বাতাসে আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ি Ñসেখান থেকে ঘুরে ফিরে দাড়াতে পারব। এই শীতল বন্ধন ও উদাসিনতার সুযোগে অপসংস্কৃতি ও পাশাবিকতার বীজ ছড়িয়ে পড়ে,যা পড়ে বাবা-মা হত্যাকারি ঐশী বা আবরার হত্যাকারিদের মত বিষবৃক্ষের জন্ম দেয়।
সে দূষণ বন্ধ করার জন্য ও সুস্থ ধারার সংস্কৃতির পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তথা‘সুন্দরতর বিশ্ব সমাজ তৈরির’ জন্য বর্তমান এই দুঃসময়ে স্কাউটিং আন্দোলন খুবই জরুরী। সেই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হলে পূর্ণতর মানুষ হওয়ার পথে শিক্ষার্থীরা হাটার সুযোগ পাবে। এতে তার প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সফল হওয়া যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি জীবনের সার্থকতা বোঝার পথও খুজে পাবে। ফলে শিক্ষায় পরিপূর্ণ সফলতার প্রকাশ ঘটবে। তাই এখন জোর দিয়ে বলা যাচ্ছেÑ শিক্ষায় সফলতার জন্য স্কাউটিং এর বিকল্প নেই।
গত ২৩ আক্টোবর’১৯ তারিখে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ স্কাউটিং, চট্টগ্রাম জেলা রোভার ব্যবস্থাপনায়বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানগন তথা ইউনিট সভাপতিমÐলিদের নিয়ে সময় উপযোগী ওর্য়াকশপ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে বিভিন্ন বক্তাদের বক্তব্যে এই সব কথা উঠে এসেছে। আসুন সুস্থ সমাজ গড়তে স্কাউট আন্দোলন জোরদার করিÑপ্রজন্মদের স্বার্থে,তারা শিক্ষায় সফল হয়ে উঠার স্বার্থে।
লেখক : অধ্যক্ষ
খলিলুর রহমান মহিলা (ডিগ্রি) কলেজ