শাড়ি বাঙালিভুষণের অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ

অ্যাডভোকেট সালাহ্উদ্দিন আহমদ চৌধুরী লিপু

8

অনেক কবি,সাহিত্যিক বাঙালি নারীর শাড়িকে নদীর সাথে তুলনা করে বলেছেন, নদীর মতো শাড়িরও দুই পাড় থাকে। বাংলার নারীরা যেন শাড়ি নয়, নদীই শরীরে জড়িয়ে রাখে। নদী যেমন বাংলার আদি প্রতিক, শাড়িও তেমন হাজার বছরের শাশ্বত বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। সহস্র বছর ধরে এতদ অঞ্চলের বাঙালি নারীরা সম্ভ্রম নিবারণের উপকরণ হিসেবে সরল বস্ত্র শাড়ি ব্যবহার আসছে। প্রাচীন বাংলায় সকল সম্প্রদায়ের নারী শাড়ি পরিধান করতো। এক কথায় শাড়ি বাঙালি ভূষণের অবিচ্ছেদ্য ও অনিবার্য অনুষঙ্গ। ইতিহাস মতে, সংস্কৃত শাড়ি থেকে এসেছে শাড়ি। শাঢ়ি শব্দের অর্থ ‘এক ফালি বস্ত্র’। আর্যরা ভারতবর্ষে আগমনের পূর্বে শাড়ি শব্দের প্রচলন ছিল। গুপ্তযুগের কবি কালিদাসের ‘কুমার সম্ভব’ এ শাড়ির কথা উল্লেখ আছে। বাংলা কাব্যের উষালগ্নের নিদর্শন চর্যাপদেও শাড়ির উল্লেখ আছে। সে হিসেবে নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় শাড়ির বিবর্তনের ইতিহাস সাড়ে তিন হাজার বছরের অধিক। বাঙালি নারীর প্রধান পরিধেয় বস্ত্র ছিল শাড়ি। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলংঙ্কা, পাকিস্তান উপমহাদেশের এই পাঁচটি দেশের নারীদের শাড়ি ঐতিহ্যবাহি ও নিত্যনৈমত্তিক বস্ত্র। ১২ হাত বা ১৮ ফুটের এই শাড়ির বিশ্বে বাজারে বেশ কদর রয়েছে।
নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দসহ বাংলার কবি, সাহিত্যিকদের সৃষ্টিতে নারী প্রসঙ্গে শাড়ির বর্ণনা ও মাহাত্মা বহুবার এসেছে। । আদি যুগে বাংলার নারীরা সায়া, ব্লাউজ ও অর্ন্তবাস ব্যতীত এক প্যাঁচে শাড়ি পরিধান করতেন। বাঙালি নারীদের সায়া, ব্লাউজ ও অন্তর্বাস সহকারে কুচি দিয়ে শাড়ি পরার সূচনা করেন, কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির পুত্রবধূ জ্ঞাননন্দনি। সে শড়ি কালক্রমে বাঙালি নারীর আভিজাত্যের পোশাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক চিত্রকলা, চলচ্চিত্র, সঙ্গীতেও শাড়ি রয়েছে মহাসমারোহে। চল্লিশ-পঞ্চাশ দশকের হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রভাবে জনপ্রিয় শাড়ি পরার স্টাইলে লাগে আধুনিকতার ছোঁয়া। পঞ্চাশ-সত্তর দশকে নার্গিস, মধুবালা, বৈজয়ন্তীবালা, ও সুচিত্রারা আশি-নব্বই দশকে শ্রীদেবি, হেমামালিনীরা শাড়ি পরার স্টাইলে বাঙালি তরুণীদের অনুপ্রাণিত করে। স্বাধীনতা পরবর্তী অনুকরণীয় হন কবরী, শাবানা, ববিতা, রোজিনার মতো নায়িকারা। শাড়ি নিছক পোশাক বা ফ্যাশন নয়। নারীর জীবনের নানা পরতে জড়িয়ে আছে বাঙালি নারীর রুচি ও অভিরুচির প্রতিক।
তথ্য মতে, বাংলার ঐতিহ্য মসলিন বিশেষ এক ধরনের তুলা আঁশ থেকে প্রস্তুতকৃত সুতা দিয়ে বয়ন করা এক প্রকার অতি সু² বস্ত্র বিশেষ। ফুটি কার্পাস নামক তুলা থেকে প্রস্তুত অতি চিকন সুতা দিয়ে মসলিন তৈরী করা হতো। এই মসলিন রাজকীয় পোশাক তৈরীতে ব্যবহার করা হতো। মুঘল আমলকে ঢাকাই মসলিনের স্বর্ণযুগ বলা হয়। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলাার শাসনভার গ্রহণ করলে ইংরেজ শাসকদের নির্মম অত্যাচারে আটারো শতকের শেষার্ধে বাংলার মসলিন বয়ন বন্ধ হয়ে যায়। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে ও বঙ্গ থেকে সোনারগাঁ বন্দরের মাধ্যমে মসলিনের মতো সুক্ষ বস্ত্র ইউরোপ রফতানি হতো। এই মসলিন থেকে এসেছে জামদানি কাপড়। নবম শতকে আরব ভূগোলবিদ সুলায়মান বাংলাদেশের মুসলিন ও জামদানির উল্লেখ করেছেন তার গ্রন্থে। প্রখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৪শ শতকে লেখা তার ভ্রমণ বৃত্তান্তে মসলিন ও জামদানির প্রশংসা করেছেন। ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে ইংরেজ পর্যটক র‌্যালফ ফিচ জামদানির প্রশংসা করেছেন। এরপর মোগল থেকে শুরু করে এখনও জামদানি স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। জ্যামাতিক অংকন জামদানি নকশা শতবছরের জামদানি শাড়ির মূল আকর্ষণ। জামদানি কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত এক ধরনের পরিধেয় বস্তু, যার বয়ন পদ্ধতি অনন্য। হারিয়ে যাওয়া বিশ্বখ্যাত মসলিন জাতীয় পণ্য জামদানি ইতিহাসের এই অকাট্য দলিলগুলোই প্রমাণ করে জামদানি বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব পণ্য। ঢাকার জামাদানির সুতা ও তৈরী করা জামদানি অন্যান্য দেশের জামদানি থেকে আলাদা। জামদানি শুধু শাড়ি নয়, ছয় গজে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, ঐতিহ্য। তাই তো এই শাড়ির জনপ্রিয়তা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে বিদেশেও। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কতৃক একটি অসাধারণ ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেইজ’ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। বর্তমানে এই শাড়িরও দুর্দিন চলছে। তাই এই শাড়ির ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। ঢাকা ও কিশোরগঞ্জ ব্যতীত পৃথিবীর কোথাও জামদানি তৈরী হয় না। বাংলার আরেক ঐতিহ্য রাজশাহী সিল্ক। রাজশাহীর রেশম তক্ত দিয়ে এটি উৎপন্ন হয়। তুঁত সিল্ক, ইরি বা ইন্ডি সিল্ক ও তসর সিল্ক এই তিন ধরনের সিল্ক। প্রায় দশ হাজার লোক এই খাতের সাথে জড়িত। বিবাহ বাঙালি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, যেখানে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে কাতান বেনারশি শাড়ি। প্রিয়ার লাল বেনারসি নিয়ে বহু গান, কবিতা রচিত হয়েছে। প্রচলিত আছে, লাল বেনারসিতেই বাঙালি কনের চিরন্তন সৌন্দর্য ফুটে উঠে।
দেশের ঐতিহ্য কাতান, বেনারশী, জামদানি, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি, জর্জেট, শিপন, রাজশাহী সিল্ক, গরদ,তসর, মসলিন ও সুতি শাড়ি। মিলের শাড়ি, ছাপার শাড়ি, কলের শাড়ি নামে পরিচিত শাড়ি সত্তর-নব্বই দশকে ব্যপক ব্যবহৃত হয়। তৎকালিন শাড়িকে নান্দনিক আঙ্গিকে বাজারে নিয়ে এসেছিল প্রাইড,জনি প্রিন্ট, মায়া শাড়ি, জেরিন সিল্ক নামের শাড়ি তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা পায়। দেশীয় শাড়ি অনেক টেকসই হলেও চাহিদা কম, অপরদিকে ভারতীয় শাড়ি নিম্নমানের হলেও চাহিদা বেশি। প্রতিদিন চোরাইপথে ভারতীয় শাড়ি অনুপ্রবেশ করাতে দেশীয় শিল্প ক্ষতির সন্মুখীন হচ্ছে। টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির জন্য বিখ্যাত। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল গ্রামে টাঙ্গাইল শাড়ির উৎপাদন স্থল। শাড়ির কারিগর তাঁতিরা। এখানে তাঁতিদের বংশ পরম্পরায় তাঁতের শাড়ি তৈরী পেশা। জীবিকার একাত্র উৎস তাঁতের শাড়ি বুনন ও বিপণন। তবে তারা বংশ পরম্পরায় প্রাপ্ত এই পেশা ত্যাগ করে অন্য পেশায় আগ্রহী হয়ে উঠছে। এই পেশার তাঁতিদের সন্তানরা এখন অনেকে লেখাপড়া করে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন। টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার তাঁত প্রধান অঞ্চলগুলোতে তাঁতিরা উত্তর প্রজন্মের কেউকে আর পৈত্রিক পেশায় দিতে আগ্রহী নয়। যমুনা ও ধলেশ্বরী অববাহিকায় শত শত বছর ধরে তাঁতের সঙ্গে যাদের জীবন-জীবিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল, অস্বিত্ব রক্ষার্থে তারা পেশা পরিবর্তন করেছেন। শাড়ির চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় তাঁতিদের অনেকে এখন শাড়ির পরিবর্তে থ্রিপিস তৈরী করছেন।
ব্যবসায়ীদের অনুযোগ শাড়ির ব্যবসা এখন মন্দা। নারীরা এখন শাড়ি পরেন কম। নারীরা এখন শাড়ি বিমুখ। কর্মক্ষেত্র সহ সর্বত্র সালোয়ার কামিজই পরছেন নারীরা। তাঁত বোর্ড সূত্রে মতে, দেশে পাঁচ লক্ষাধিক হস্তচালিত তাঁত রয়েছে। তৎমধ্যে সিরাজগঞ্জে রয়েছে ২লক্ষ ৩৫ হাজার। তবে তাঁতিদের ধারণা, ১ লাখেরও অধিক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। আর পাবনায় ৫০ হাজারের মতো তাঁত রয়েছে। সেখানের তাঁত বছরের অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে। প্রতি বছর ঈদকে সামনে রেখে তা খোলা হয়। তাছাড়া সুতার দাম বৃদ্ধি পাওযায় তাঁত বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ বলে অনেকে মনে করেন। টাঙ্গাইলে শাড়ির ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারের কোন উদ্যোগ নেই।
বর্তমানে বাঙালির পোশাক-পরিচ্ছদে পরিবর্তনের হাওয়া লাগে। নারীদের মধ্যে সালোয়ার-কামিজ, প্যান্ট-শার্টের মতো পোশাক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত ও বিবর্তিত এই শাড়ি ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। নারীদের সহজ যুক্তি কর্মস্থলে শাড়ি অসুবিধা সৃষ্টি হয়। শাড়ি পরে কর্মক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না বলে দৈনন্দিন পরিধেয় হিসেবে শাড়ির পরিবর্তে অন্য পোশাকের প্রতি নারীরা ঝুঁকে পড়েছেন। একদা দৈনন্দিন জীবন ও উৎসবে শাড়িই নারীকে মোহনীয় করে তুলতো। দৈনন্দিন জীবনের পোশাক হিসেবে আজকাল আর শাড়ির প্রচলন নেই বললে চলে শহর, নগর ও গ্রামাঞ্চলে সর্বত্রই নারীদের কাছে শাড়ি এখন উৎসব ও পার্বনের পোশাক। ঐতিহ্যের এই পোশাক এখন উৎসবইে ব্যবহৃত হচ্ছে। নারীরা সেই উৎসবেও যে শাড়ি পরেন , তার সিংহভাগ দখল করে আছে ভারতীয় শাড়ি। শপিংমল সহ বিভিন্ন স্থানে নারীদের পরনে শাড়ি দেখা যায় না। বিগত বছরের ঈদের বাজারে এক সংবাদ কর্মীকে বসুন্ধরা সিটিতে শাড়ি পরা একজন নারীকে খুঁজে পেতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা রত থাকতে হয়। প্রকারন্তে, অনেক নারী শাড়ির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, আগেকারদিনে নারীরা কর্মক্ষেত্রে শাড়ি পরে কাজ করতে পারলে এখন কেন পারবে না। শহরে না হয় নারীরা কাজ মর্মে ব্যস্ত থাকে কিন্তু গ্রামে কি কারণে নারীরা শাড়ির পরিবর্তে অন্য পোশাক পরছে। শাড়ি পরার বিষয়টি সম্পূর্ণ পারিবারিক বিষয়। নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়। তরুণকাল থেকে শাড়ি পরার অভ্যাস থাকলে কর্মক্ষেত্রেও শাড়ি অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। তারা মনে করেন, শাড়িতে নারীকে যতটা সুন্দর, নারীর আভিজাত্য ও স্নিগ্ধতা হয়ে উঠে, আর কোন পোশাকে সেটা সম্ভব হয় না। শাড়ি ব্যতীতা অন্য কোন পোশাক দ্ধারা আমাদের আবহাওয়া ঋতু বৈচিত্রের সাথে খাপ খাওয়ানো অসম্ভব। বিদেশি আকাশ সংস্কৃতি এখন আমাদের সাধারণ মানুষের ভালো লাগার বিষয়গুলো ঠিক করে দেয়। এর প্রভাব পড়ছে শাড়ির উপর। এছাড়া বিভিন্ন সিরিয়াল, নাটক, চলচ্চিত্রে শাড়ির ব্যবহার কমিয়ে ফেলার কারণে নারীরা শাড়ির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।
শাড়ির ব্যবহার হ্রাস পেলেও বাঙালি নারীর শাড়ি কেনার আবেগ পূর্বের মতো রয়েছে। দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবন থেকে শাড়ি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার দৃশ্যপটে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিপরীত চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। দেশের বিভিন্ন অভিজাত শপিং মলের শোরুমে চোখ ধাঁধানো হাজারো শাড়ির সমারোহ। শোরুমগুলো ধনাঢ্য ও অভিজাত পরিবারের নারীদের পদভারে মুখরিত। এসব শোরুমে ভারতীয় মহামূল্যবান শাড়ির সমারোহে দেখে বিষ্মিত হলেও মূল্য শ্রবণে মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীর হৃদকম্পন সৃষ্টি হতে পারে। এসব অভিজাত শোরুমে রয়েছে লাখ থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা মূল্যের শাড়ি পাওয়া যায়। এসব শাড়িতে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ জড়ানো থাকে জানা গেছে। দেশের নামিদামি ও অভিজাত পরিবারের নারীরাই এখানের ক্রেতা। তাদের কাছে দাম কোন ব্যাপার নয়, শাড়ির ডিজাইনই মুখ্য।
বাঙালির চিরায়ত শাড়ি। শাশ্বত বাঙালি নারীর অহংকার। কোন পোশাকেই প্রতিস্থাপন করে শাড়িকে মুছে ফেলতে পারবে না। শাড়ির বিকল্প কোনকিছুতে হবেনা। শাড়ি বাঙালির পোশাক, বাঙালির আত্মপরিচয়। যা কখনও বিলুপ্ত হওয়ার নয়। আশা করি নতুন প্রজন্মের বাঙালি নারীরা শাড়িকে ধরে রাখবে এবং শাড়ির প্রতি তারা আরো আগ্রহী হয়ে উঠবে। কালের গহবরে শাড়ি যেন হারিয়ে না যায় সেজন্য দেশীয় শাড়ির বাণিজ্যিক বিকাশে দরকার সরকারি পৃষ্টপোষকতা। বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসন রোধ, আর প্রয়োজন আইন ও নীতিমালা সরকারের বিশেষ প্রয়োজন। এদেশের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের ঐতিহ্য দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
লেখক- রাজনীতিক, প্রাবন্ধিক