শহীদ অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহের জন্মবার্ষিকী পালিত

তৈয়ব চৌধুরী

3

আজ জন্মদিন তোমার…আলো ভূবন ভরা, এলো খুশির সেই দিন এলো দলীয়, আহা কি আনন্দ কি আনন্দ আকাশে বাতাশে, ওরা নাচে ফুলে ফুলে দুলে দুলে, অ আমার দেশ…প্রতিদিন তোমায় দেখে, বাজেরে বাজেরে ঢোল বাজে, বাংলাদেশে ঢোল। এভাবে দলীয় সংগীত, নৃত্য ও গানে গানে মাতিয়ে উঠে মুক্তিযুদ্ধে দেশ ও মাটিকে ভালবেসে পাক বাহিনীর হাতে যিনি শহীদ হয়েছেন শহীদ অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল শনিবার কুন্ডেশ্বরী বালিকা বিদ্যামন্দির মাঠ।
এ উপলক্ষে শহীদ নূতন সিংহ স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি ও চবির প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শংকর লাল সাহার সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রফেসর ড.মইনুল ইসলাম। ধন্যবাদ সূচক বক্তব্য রাখেন নূতন চন্দ্র সিংহের পুত্র মুক্তিযোদ্ধা প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ। আলোচক ছিলেন পুন্ডরীকধামের অধ্যক্ষ শ্রীপাদ চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর বেনু কুমা দে, চবি’র সমাজতত্ত¡ বিভাগের অধ্যাপক ড.ইন্দ্রজিৎ কুন্ডু, চট্টগ্রাম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মুজিব রহমান, চবি’র রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম ইসলাম, জ্যোতিষ গবেষণা উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শ্রী মাধব আচার্য। অধ্যাপক পূরবী দাশ গুপ্ত ও অধ্যাপক ইফরাত জাহান ইপুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন কুÐেশ্বরী কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পাদক রাজীব সিংহ ও কোষাধ্যক্ষ বাসু দেব সিংহ।
অনুষ্ঠানে বক্তার বলেন ,শহীদ নূতন চন্দ্র সিংহ ছিলেন একজন বীর। যিনি মৃত্যু সম্মূখ যেনেও নিজের মায়ের মাটি ছাড়ে নি। শহীদ নূতন চন্দ্র সিংহ নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন প্রেরনা। একটি ইতিহাস। তিনি সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে নারী শিক্ষা, সমাজ উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবেসে এ মাটিকে আকড়ে ধরে রেখেছিলেন। পাকিস্তানী হানেদারেরা তাকে প্রার্থনারত অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করে তার নাম এদেশ থেকে মুছে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তারা হত্যা করতে পারলেও তার নাম এদেশের মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে পারেনি।’ আজ এই মহান ব্যক্তির সকল কর্মই আমাদের প্রেরনা। যা ঐশি শক্তি ব্যতিত পৃথিবীর কোন শক্তিই আঘাত আনতে পারবে না। তিনি আমাদের মাঝে বেচে থাকবে যুগযুগ।