লোহাগাড়ায় চিকিৎসকদের উন্নতমানের পিপিই দিলেন সোলতান আহমদ চৌধুরী

লোহাগাড়া প্রতিনিধি

8

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েও নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বেসরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা। আর এ চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালেন লোহাগাড়ার বিশিষ্ট শিল্পপতি খাজা গ্রূপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশা। দেশে চলমান প্রাণঘাতী করোনার ঝুঁকি নিয়েও লোহাগাড়ায় নিয়মিত যে ২০ জন চিকিৎসক জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ব্যাক্তিগত সুরক্ষার জন্য চীন থেকে আমদানীকৃত উন্নতমানের সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) প্রদান করে তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন লোহাগাড়ার এ শিল্পপতি। গত ১৯ মে মঙ্গলবার রাতে সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশা’র পক্ষে লোহাগাড়া মা-মনি হাসপাতালের প্রতিষ্টাতা পরিচালক এম এ কাশেমের হাতে চিকিৎসকদের এসব পিপিই হস্তান্তার করেন খাজা গ্রæপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক সাখাওয়াত বিন সোলতান শাওন। এ সময় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: অলক নেওয়ার ও লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন। মা-মনি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সমাজসেবক আলহাজ এম.এ কাশেম বলেন, প্রানঘাতী করোনার সংকটময় মুহুর্তে উন্নতমানের পিপিই প্রদান করে লোহাগাড়ার চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য শিল্পপতি ও দানবীর সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসব পিপিই রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে চিকিৎসকদের ব্যাক্তিগত সুরক্ষায় অনেক বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি আরো বলেন, লোহাগাড়ায় সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরাও প্রাণঘাতী করোনার ঝুঁকি নিয়ে জনগণকে নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক উপজেলায় বেসরকারি হাসপাতাল নামেমাত্র খোলা রয়েছে। সেখানে কোন চিকিৎসক নেই, নার্স নেই এমনকি রোগীও ভর্তি নিচ্ছে না। অথচ লোহাগাড়ায় আমাদের আর্থিকভাবে বড় অংকের ক্ষতি হলেও আমরা জনগণের সেবার কথা চিন্তা করে ২৪ ঘন্টা খোলা রেখেছি। শিল্পপতি সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশা বলেন, আসলে এ প্রাণঘাতী করোনার সময়ে রোগীদের সেবা দিতে গেলে আগে চিকিৎসকদের ব্যাক্তিগত সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই চিকিৎসকরা নিশ্চিন্তে চিকিৎসা সেবা দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। এখন দেশে যেভাবে চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং করোনায় মারা যাচ্ছেন তা রীতিমত অবাক হওয়ার বিষয়। এ কারণে চিকিৎসকরা সেবা দিতে অনেকটা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। তাই উন্নতমানের পিপিইগুলো রোগীদের সেবা প্রদানকালে চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি। এজন্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।