রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও’র প্রতি ক্ষোভ

১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি

উখিয়া প্রতিনিধি

20

উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে মানবিক সেবার নামে কর্মরত কতিপয় এনজিও’র কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এসব এনজিওর কার্যক্রমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও।
উপজেলা প্রশাসন বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে কথিত এনজিওগুলোর কর্মকান্ড তদন্ত করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেজবাহ উদ্দিনকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন। ওই কমিটিকে আগামী আইনশৃংখলা কমিটির সভায় চিহ্নিত এনজিওদের ব্যাপারে লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃংখলা কমিটির সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন, রোহিঙ্গাদের সেবার নামে কতিপয় এনজিও তাদের পকেট ভারী করছে। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের নামে নিম্নমানের ব্যবহার অনুপযোগী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিতরণ করে রোহিঙ্গাদের ঠকাচ্ছে। বক্তারা আরো বলেন, এসব এনজিওগুলো রোহিঙ্গাদের প্রভাবিত করে প্রত্যাবাসনে অনাগ্রহ সৃষ্টি করছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে উল্লেখ করে জনপ্রতিনিধিরা এসব এনজিওর গতিবিধি এবং তাদের সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধিদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে আহবায়ক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত ও তদারক কমিটি গঠন করেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন-মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম মিয়া, সমাজসেবা কর্মকর্তা কবির আহমদ, কৃষি কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম, পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন, জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।