রোহিঙ্গাদের জন্য থানা চায় সংসদীয় কমিটি

17

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংসহ আশপাশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আলাদা থানা স্থাপনের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, “আর্মড পুলিশ সেখানে কাজ করছে। কিন্তু বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যাতো ১০ লাখ। তাদের সুরক্ষার বিষয়টিও দেখতে হবে। সেজন্য আমরা পুলিশের একটি আলাদা থানা স্থাপন করার সুপারিশ করেছি।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিপীড়ন-নির্যাতনের মুখে গত বছরের ২৫ অগাস্টের পর থেকে সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এদের ফেরাতে মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও এখনও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। রাখাইনে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোয় আপত্তি জানিয়ে আসছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল জানান, কমিটি কুতুপালং ক্যাম্পসহ কক্সবাজারে অবস্থিত সব রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ‘ফেন্সিং’ কার্যক্রম দ্রæত শুরু করার সুপারিশ করেছে।
এদিকে বৈঠকে জানানো হয়, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা ১০ লাখ ৩৮ হাজার রোহিঙ্গার নিবন্ধন করা হয়েছে। এর ফলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে পারবে না। “কুতুপালংয়ে অবস্থিত ১৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনে এককভাবে পৃথিবীর বৃহত্তম শরণার্থী ক্যাম্পে ৬ লাখের অধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে।”
সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজারের বনাঞ্চল যাতে হুমকির মুখে না পড়ে সেজন্য রোহিঙ্গাদের রান্নার জন্য দ্রæত সময়ের মধ্যে জ্বালানির ব্যবস্থা করার সুপারিশ করেছে কমিটি।