রোহিঙ্গাক্যাম্পের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিদর্শনে শরণার্থী কমিশনার

15

মানবিক বিপর্যয়ের শিকার জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের এদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানবতার প্রতীক হিসেবে সারা বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছেন। বিশ্ব বাংলাদেশকে জেনেছে মানবতাবাদী দেশ হিসেবে। এ মানবিক সহায়তার জন্য বিশ্ববাসী বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশী জনগণকে সম্মান করছে। বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের সঠিকভাবে প্রত্যাবাসনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার তাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা প্রদান করছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বা এনজিওসমূহ রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম এনডিসি গত ১০ সেপ্টেম্বর স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের মানবিক সহায়তার জন্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য ইপসা শুরু থেকেই মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রোগ্রামের অধীনে কাজ করছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার ইপসার কার্যক্রমসমূহের উপস্থাপনা আগ্রহ নিয়ে শুনেন। মানবিক কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতায় আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি পালংখালী ইউনিয়নের থ্যাংখালী গ্রামের ১৩ ক্যাম্পে স্থাপিত প্রবীণ বান্ধবকেন্দ্রে প্রবীণবান্ধব উপকরণ বিতরণ করেন।
এসময় ইপসার ক্যাম্প ইনচার্জ সহ ইপসার প্রধান নির্বাহী মো. আরিফুর রহমান, পরিচালক (অর্থ) পলাশ চৌধুরী, সহকারি পরিচালক মেহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, হেলপএইজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এডভোকেসি অফিসার মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী জিশু বড়–য়া, প্রশিক্ষণ বিভাগের শাহ সুলতান শামীম, ইপসা-হেলপ এইজ প্রকল্পের পিসি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি