রাঙ্গুনিয়ায় ৫টি মূতি ভাংচুর

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি

12

রাঙ্গুনিয়ায় ৩টি বিশ্বকর্মা মূর্তি ও ২টি গনেশ মূর্তি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মূর্তি ভাংচুরের ঘটনায় এলাকায় সনাতন সম্প্রদায়ের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়য়নের শান্তি নিকেতন এলাকার গৌরাঙ্গ আচার্য্য বিশ্ব কর্মা উপলক্ষে মূর্তি বানিয়েছেন ৫টি। তিনি এসব মূর্তি বানিয়ে বিক্রি করেন। গত সোমবার দুপুরের দিকে তার মূর্তির দোকান বন্ধ করে খাবার খেতে যান। দুপুর ২টার দিকে তিনি দেখতে পান তার দোকানের পিছনের বেড়া ভেঙে একজন লোক পালাচ্ছেন। দোকান খুলে দেখেন ৩টি বিশ্বকর্মা মূর্তি ও ২ টি গনেশ মূর্তি ভাঙ্গা। গৌরাঙ্গ আচার্য্য মুঠোফোনে জানান, এলাকার নাজিম গত দুই বছর আগে টাকা চেয়েছিল তিনি টাকা দেননি। তাই সে মূর্তি ভাংচুরের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। ঘটনার পর তিনি স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত নাজিম উদ্দিনের ভাই নাসির উদ্দিন জানান, নাজিম মানসিকভাবে অসুস্থ। সে এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নির্বানীতোষ সাহা জানান, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পূজা হবে। মূর্তিগুলো পূজার জন্য বানানো হচ্ছে। মূর্তি ভাংচুর করা মোটেই ঠিক হয়নি। এ ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। রাঙ্গুনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক পীযুষ সিংহ মুঠোফোনে মূর্তি ভাংচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মূর্তি ভাংচুরের ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। মুর্তি ভাংচুরের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রহিম উদ্দিন চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।