রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে বিশ্ব এইডস দিবস পালন

খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি প্রতিনিধি

5

এইচআইভি পরীক্ষা করুন, নিজে জানুন এ শ্লোগানে সারাদেশের মত খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্র্যাক এর উদ্যোগে সকালে এ উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।
বক্তব্য রাখেন ডা. আশুতোষ চাকমা ও ডাক্তার জয়া চাকমা। আলোচনা সভায় বক্তারা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পাশাপাশি সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ কর্মী, এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙামাটি : ‘এইচআইভি পরীক্ষা করুন, নিজেকে জানুন’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়েছে। রাঙামাটি স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. শহিদ তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর টিপু সুলতান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটির ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেবি ত্রিপুরা, রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শওকত আকবর খান প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে ১৯৮৯ সালে এইডস রোগীর সন্ধান পেলেও ধর্মীয় অনুশাসন, পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের দেয়া শিক্ষা এবং নিজস্ব কৃষ্টি-কালচারের জন্য এইডসকে নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের জন্য সহজ হয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এইডস আমাদের দেশে মহামারী আকার ধারণ করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের দেশে এইডস রোগটিকে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছেন।
আমরা সকলে এ ব্যাপারে সহযোগিতা ও সচেতচনা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করলে তা অর্জন করতে পারবো। এইডসের ঝুঁকি থেকে সবাইকে নিরাপদ থাকতে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও পদ্ধতি গ্রহণের কথা জানানো হয়। এর আগে রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি রাঙামাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।