বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তি স্থাপনে বৃষকেতু

রাঙামাটির ৫ উপজেলায় ৫০ শয্যার হাসপাতাল হবে

বিলাইছড়ি প্রতিনিধি

7

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ১০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তি স্থাপন করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা।
ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের সিভিল সার্জন শহীদ তালুকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শুভ মঙ্গল চাকমা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অমৃতসেন তঞ্চঙ্গ্যা ও শ্যামা চাকমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ ইকবাল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ আহম্মদ চৌধুরী, উপজেলা আ.লীগ সভাপতি সুরেশ কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বৃষকেতু চাকমা বলেন, বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়ন ও এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের নাগরিকের মৌলিক অধিকার- স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য সারাদেশে প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ ও উন্নত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই প্রতিফলনে আজ এ উপজেলার ১০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও আমাদের তিন পার্বত্য জেলার জনগোষ্ঠী বিভিন্নভাবে পিছিয়ে ছিলাম। তাই শেখ হাসিনার সুদৃষ্টিতে আমাদের রাঙামাটি জেলার ১০টি উপজেলার মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৫টি উপজেলায় এ প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন চলছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও স্বাস্থ্য উন্নয়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।
তিনি আরও বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী আমাদের বিভিন্ন আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য ২০১৭ সাল থেকে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য স্ব-স্ব মাতৃভাষার বই ১জানুয়ারীতে পেঁৗঁছে দেয়া হচ্ছে। এ উন্নয়নমূলক কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে শুধুমাত্র বর্তমান সরকারের আন্তরিকতার কারণে।
তিনি আরও বলেন, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও আমরা সমতল থেকে পিছিয়ে আছি। আমাদের রাঙামাটি জেলার ১৮৮ জন ডাক্তারের মধ্যে ১০ জন ডাক্তার আমাদের স্থানীয় আছে কিনা সন্দেহ আছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের স্থানীয় ছেলেদের ডাক্তারি পড়তে হবে। যাতে করে আমাদের অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। কারণ যারা সমতল হতে এখানে ডাক্তারি করতে আসেন, তারা নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারেন না বা থাকেন না। ফলে স্বাস্থ্যের মত একটি জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে বিভিন্ন জায়গায় অহরহ অভিযোগ রয়েছে যে- সেখানে ডাক্তার থাকেন না।