রাঙামাটিতে জমে উঠেছে পশুর হাট

রাঙামাটি প্রতিনিধি

12

রাঙামাটিতে জমে উঠেছে পশু কেনাকাটার হাট। গত শুক্রবার থেকে পশুর কেনাকাটার হাট গুলোতে প্রচুর গরু ছাগল দেখা গেছে। যদিও ক্রেতার উপস্থিতি একেবারে কম। তবে গত ৩-৪ দিনের তুলনায় ক্রেতা একটু বেড়েছে। ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকলেও গরু বিক্রেতারা তাদের নিদিষ্ট দর ধরে বসে আছে। ক্রেতারা কেউ কেউ ভেবে চিন্তে ১০টা দেখে একটা কিনছেন। গতবারের চেয়ে এবার স্থানীয় পশু হাটে প্রচুর গবাদি পশু উঠেছে।
অনেকে অভিযোগ করেছেন এখন থেকে গত ১৫-২০ দিন ধরে যে হারে গরু রাঙামাটির বাহিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওই সব গরু যদি স্থানীয় পশুর হাটে উঠত তাহলে পানির দামে গরু ক্রয় করতে পারতেন ক্রেতারা। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোন মাথা ব্যথা নেই বললেই চলে। রাঙামাটির প্রশাসন ছোট খাটো ব্যাপারে দেখছি মাথা ঘামায় কিন্তু মুসলমানদের জন্য কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু কিন্তু এসব নিয়ে তারা কিছুই বলতে রাজি না। আবার অনেকে অভিযোগ করেছেন প্রতি বছর প্রচুর দালাল থাকে পশুর হাটে এব্যাপারে প্রশাসনের কোন ভূমিকা নাই। তবে এবার ইজারা নিয়ে তেমন কোন অভিযোগ নেই কারও। পশু বিক্রেতা মো. নুরুল আমিন ও ইব্রাহিম বলেন,পশু হাটে প্রচুর কোর বানি গরু উঠেছে। ক্রেতার চেয়ে গরু অনেক বেশী।
তবে আমাদের কিনা বেশী তাই কোন রকম আড়াং উঠলেই গরু বিক্রি করে ফেলবো। এবার মনে হয় তেমন লাভ হবে না। আমরা লংগদু উপজেলার মাইনী বাজার থেকে ১৪টি গরু এনেছি ট্রাক টার্মিনাল পশু হাটে এর মধ্যে ৪-৫ বিক্রি করেছি। বাকি গুলো রয়ে গেছে। বাজারে অনেক গরু উঠেছে।
১২আগস্ট কোরবানি ঈদ হলে আরো ৩-৪ দিন সময় হাতে আছে হয়তো বা এর মধ্যে বিক্রি হয়ে যাবে। এবার পৌর ট্রাক টার্মিনালে সর্বোচ্চ গরুর দাম উঠেছে প্রায় ২ লক্ষ টাকা। তবে ক্রেতারা বড় গরু কম কিনছেন। বেশীর ভাল ক্রেতারা মাঝারি আকাঁরের গরু কিনতে দেখেছি। মাঝারি আকাঁরের গরুর দাম ৫৫ থেকে শুরু করে ৮৫-৯৫এর মধ্যে। অন্য দিকে খাঁসি ও চেমি ছাগলের দাম অনেক বেশী। যারা স্বল্প খরচে একা একা কোরবানি দেবেন তারা ছাগল কিনতে আগ্রহী।
কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মীর জাহেদুল হক রনি ও জেলা ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মো. ইসমাইল জানান, পশু হাটে সর্বক্ষণ পুলিশ নজরদারি রয়েছে। অন্য দিকে পশু হাটে যে কোন প্রকার জায়-ঝামেলা না হয় সে জন্য যানবাহন নিয়ন্ত্রণে থানা পুলিশের পাশা-পাশি ট্রাফিক পুলিশও কাজ করছে। নিরাপদ পশু সনাক্ত করতে জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ ও জাল টাকা ধরতে সোনালী ব্যাংকের লোকজন পুলিশের সহায়তায় কাজ করছে।