রবীন্দ্র-নজরুল স্মৃতি পরিষদের সঙ্গীতানুষ্ঠান

যীশু সেন

43

গত ২৪ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবস্থ বঙ্গবন্ধু হলে রবীন্দ্র-নজরুল স্মৃতি পরিষদের মেধা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন।
রবীন্দ্র-নজরুল স্মৃতি পরিষদ চট্টগ্রামের সভাপতি অধ্যাপক শিপুল কুমার দে-এর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক শ্যামল বৈদ্য সবুজ ও আবৃত্তিশিল্পী লিপি তালুকদারের যৌথ সঞ্চালনায় এতে মহান অতিথি ছিলেন শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট তপন কান্তি দাশ, বিশেষ অতিথি ছিলেন রবীন্দ্র-নজরুল স্মৃতি মেধাবৃত্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক সজল বরণ সেন, প্রধান বক্তা ছিলেন সচিবালয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি, দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শ্যামল সরকার, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সমাজসেবক ফারহানা সেলিম জিনিয়া, বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সুপ্লব চৌধুরী, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. কথক দাশ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লায়ন ডা. বিধান মিত্র, অধ্যাপক মনোজ দেব, শিক্ষক রূপক শীল, মৃণাল কান্তি দাশ, রূপন মহাজন, অধ্যাপক জয়া দত্ত, বিপ্লব চৌধুরী, শিক্ষক পারভীন আহমদ, পম্পী দাশ, সজল মজুমদার, শিক্ষক সব্যসাচী দেব টিপু, লিটন দাশগুপ্ত, শিমুল দাশ, মিশন দত্ত সপু, জয়রাজ শীল, শিক্ষক বাপ্পা দাশ, শিক্ষক মিল্টন আচার্য, শান্তা মজুমদার, পৌষালী সেন, অভিভাবক সালমা আক্তার, প্রণতোষ মহাজন প্রমুখ।
সভার শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরান ও শ্রীমদ্ভগবদগীতা হতে পাঠ করেন যথাক্রমে নাফিসা বিনতে সানাউল ও তনুশ্রী ধর। শুরুতে উদ্বোধনী সংগীত টিভি ও বেতার শিল্পী অধ্যাপক সুতপা চৌধুরী মুমু এর পরিচালনায় সমবেত রবীন্দ্র সংগীত ‘হা রে রে রে আমায় ছেড়ে দে’, নজরুল সংগীত ‘ম্নান আলোকে ফুটলি কেন’, দেশের গান ‘নদীর মাঝি বলে এসো নবীন’, অংশগ্রহণে অনামিকা বৈষ্ণব, পুস্পিতা চক্রবর্ত্তী, অহনা, জোহান, তিথি চাকমা, তিথি বড়ুয়া, ওয়াসিকা, তাসিন, রূপকথা, শান্তা পাল, সুহা মেহেজাবিন, সুভা মালিয়াত, তুলিকা দাশ, কৃপা বিশ্বাস, ঋত্বিকা শর্মা, তৃষা। অহনা দাশ একক নৃত্য পরিবেশন করেন ‘মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে’, দলীয় নৃত্য ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’, ‘বরিষধারার মাঝে শান্তির ও বাণী’ অংশগ্রহণে সূচনা বণিক, অমিত দাশ, লিজা দাশ, দিপা ঘোষ, শতাব্দী পাল।
একক সংগীত পরিবেশন করেন অধ্যাপক জয়া দত্ত ‘এই যে দুনিয়া কিসের লাগিয়া’, শিক্ষক রূপক শীল ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’, মিশন দত্ত সপু ‘ওরে সাম্পানওয়ালা’, শাহীন আক্তার ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর হয়ে রয়’, ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’, ‘কইলজ্যার ভিতর গাথি রাইখ্যম তুয়ারে’, ‘মধু কই কই আরে বিষ খাওয়াইলা’।