রক্ত পরিশোধন করে লাল মরিচ

17

মাঝে মাঝে শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যা থেকে বোঝা যায় যে আমাদের রক্ত আসলে ক্ষতিকর টক্সিন বয়ে বেড়াচ্ছে। সেসব লক্ষণ হেলাফেলা করা ঠিক না। রক্তকে টক্সিন বা ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত করে বিশুদ্ধ করা একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু শরীরে সঠিকভাবে রক্ত পরিবহন করার মাধ্যমেই আপনি সুস্থ থাকেন, তাই এই রক্ত পরিশোধন জরুরি। যখন রক্ত পরিশুদ্ধ হয়, তখন পুরো শরীরই সুন্দরভাবে কাজ করতে পারে। এতে করে কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব অঙ্গ বিকল হওয়ার ঝুঁকি কমে। রক্ত টক্সিন মুক্ত হয়ে বিশুদ্ধ হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে মাথা ব্যথা, ক্লান্তি, চুলকানি সহ বিভিন্ন চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাবেন আপনি। তাই কোন ধরণের সুপার ফুড আপনার রক্ত পরিশোধন করতে পারে, তা জেনে নেই চলুন-
লাল মরিচ : ভিটামিন এ, বি, সি, ই , কে যেমন আছে প্রচুর, তেমনি এই মরিচে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামও আছে। এসব উপাদান রক্ত পরিশোধন করে কার্যকরভাবে।
গাজর : রক্ত পরিশোধনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো এক সবজি গাজর। এটি ত্বক, চুল ও চোখের জন্যও খুব উপকারী।
করল্যা : এই সবজি রক্ত পরিশোধনে আশ্চর্যজনক কাজ করে। এছাড়া বøাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখা ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে এটি।
বিট : ভিটামিন এ ,বি,সি, কে, ফলিক এসিড ও প্রচুর আঁশ আছে এই সবজিতে। এটি খুব ভালো রক্ত পরিশোধক।
রসুন : প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও খনিজ পদার্থ থাকায় রসুন খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে রক্ত বিশুদ্ধ হতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন রসুন খেলে উপকার পাবেন।
হলুদ : ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা কমানোর মতো বেশ কিছু উপকারিতা আছে হলুদের। এই মসলা রক্ত পরিশোধনে বেশ কার্যকর।
ধনিয়া ও ধনেপাতা : কোলেস্টেরল কমিয়ে রক্ত বিশুদ্ধ রাখতে ধনিয়া ও ধনেপাতা বেশ উপকারি। ধনিয়া ও ধনেপাতায় ভিটামিন এ, সি, কে, বি থাকে। এরা রক্ত পরিশোধনে ভালো ভূমিকা রাখে।
পুদিনা পাতা : অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সমৃদ্ধ পুদিনা পাতা প্রতিদিন নিয়মিত খেলে রক্ত পরিশোধিত হয় কার্যকরভাবে। তাই সব সময় পুদিনা পাতা খাওয়ার চেষ্টা করুন। সূত্র : ইন্টারনেট

গুনের গুনাগুণ

বহু মানুষ বেগুন খেতে ভালোবাসেন না। কিন্তু বেগুন কলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। অনেকেই এই সবজিকে গুরুত্বহীন মনে করেন। কিন্তু এটি এক ভ্রান্ত ধারণা। কেননা, অন্যান্য শাকসবজির মতোই বেগুনেরও বহু গুণ রয়েছে। এক নজরে দেখে নিন-
১. শুষ্ক ত্বকের জন্য বেগুন খুব উপকারী। কারণ বেগুন ত্বকে সিক্ততা প্রদান করে। ২. বেগুন চিপে এর রস খেলেও রক্তে কলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। ৩. উচ্চরক্তচাপে ভোগা রোগীদের জন্যও বেগুন উপকারী। ৪। বেগুনের রস দাঁতের যন্ত্রণা দূর করতে ব্যবহার করা যায়। ৫. অ্যাজমার চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বেগুন গাছের শেকড় ব্যবহার করা হয়। ৬. হৃদরোগীদের জন্যও বেগুন উপকারী। ৭. বেগুন রক্ত চলাচল সঠিক রাখে। ৮. কলেস্টেরলের স্তর কম রাখায় বেগুন খেলে হৃদরোগীরা উপকার পায়। ৯. কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রেও বেগুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সূত্র : ইন্টারনেট