ম্যাসেজ করলে নবজাতকের ক্ষতি হতে পারে

5

ঘরে নতুন অতিথী আসলে সবার মাঝে একটা বাড়তি উত্তেজনা কাজ করে। বয়ে যায় আনন্দের ফোয়ারা। অতি উৎসাহীদের অনেকেই মনে করেন, নবজাত শিশুর শরীর প্রতিদিন ম্যাসেজ করলে ত্বকে রক্ত সরবরাহ বাড়বে এবং হাত-পা সোজা হবে। আসলে সাধারণের এই ধারণা মোটেও সত্য নয় বরং এগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
প্রকৃতপক্ষে নবজাত শিশুর শরীর ম্যাসেজ করার কোনো দরকার নেই। ম্যাসেজ করলে বরং ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। ম্যাসেজের কাজে ব্যবহৃত উপকরণ, যেমন- তেল, মালাই, ঘি ইত্যাদি ত্বকের সংস্পর্শে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার উদ্রেক করতে পারে। আর ম্যাসেজের কারণে ত্বকের লোমকূপগুলোও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এতে করে ত্বকে ফোঁড়া হতে পারে। ঘটনাক্রমে নবজাত শিশুর মাংসপেশির টান সাধারণভাবে একটু বেশি ঘটে। ফলে শিশুর পা সোজা না থেকে ভাঁজ করা অবস্থায় থাকে। কিন্তু ৬ সপ্তাহ থেকে ৩ মাসের মধ্যে মাংসপেশির এই টান কমতে থাকে এবং তখন হাত-পা স্বাভাবিকভাবে সোজা অবস্থায় চলে আসে। কাজেই হাত-পা সোজা অবস্থায় আসার উপযুক্ত হওয়ার আগেই যদি ম্যাসেজ করে টেনে সেগুলো সোজা করার চেষ্টা করা হয়, সেটি অবশ্যই ঠিক কাজ হবে না। এতে ভালো কিছু আশা করা যায় না। সুতরাং নবজাত শিশুকে ম্যাসেজ করে অযথা দুশ্চিন্তা ডেকে না আনাটাই বাঞ্ছনীয়। সূত্র : ইন্টারনেট

যে কারণে মুলা আপনাকে খেতেই হবে

নিত্যদিনের বাজারের তালিকায় অনেকেই রাখতে চাননা শীতকালীন শবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম মুলা। স¤প্রতি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন অনেকের অপ্রিয় এই মুলাতেই রয়েছে মানব দেহের জন্য কার্যক্রর কিছু উপকারিতা। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য ৫টি নতুন সময় পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলোÑ ১. মুলা রক্তচাপ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।, ২. মুলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।, ৩. মুলার রস আক্রান্ত জায়গায় লাগালে ব্যথা এবং ফোলা দুই কমে যায় বলে অনেকের মত।, ৪. বলা হয়ে থাকে মুলার মধ্যে ইনডাইজেস্টবেল কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা হজম সহায়তা করে‚ শরীরে জলের মাত্রা ঠিক থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে দেয় না।, ৫. পাশাপাশি মুলা খেলে সহজেই পেট ভরে যায় এবং মুলো শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমাতে তা সাহায্য করে থাকে। সূত্র : ইন্টারনেট