মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধন ব্যবহার তিন বিউটি পার্লারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

16

মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধন দিয়ে নারী-পুরুষকে সাজানোর অপরাধে তিন বিউটি পার্লারকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর ও আর নিজাম রোড ও প্রবর্তক মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। এতে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া একটি ওষুধের দোকান ও বেকারিকেও জরিমানা করা হয়। অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস ও নাসরিন আক্তারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

জানা যায়, অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস ওআর নিজাম সড়কের  ম্যানস বিউটি পার্লার ‘হাবিব তাজকিরা’কে মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধন ব্যবহারের অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর তিনি চকবাজারের পপুলার ড্রাগ হাউসকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ১০ হাজার টাকা ও অপরিচ্ছন্নতার জন্য ফয়েজ বেকারিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অপর সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার প্রবর্তকের সুবর্ণা আবাসিক এলাকার ‘মেক আপ আর্ট বাই রাজু’ ও ‘টাচ অ্যান্ড গো’ বিউটি পার্লারকে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

বিকাশ চন্দ্র দাস বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনে নারী ও পুরুষকে রূপবান, রূপবতী করা হচ্ছে কিছু পার্লারে। এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সব মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনের কারণে গ্রাহকদের ত্বক ও চুল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে জটিল চর্মরোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা যেসব মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধন পেয়েছি সব ধ্বংস করেছি। প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেছি।

অন্যদিকে অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান আনোয়ারা উপজেলাধীন বটতলী বাজারের নিউ কস্তুরি হোটেলকে হাইড্রোজ ও রং ব্যবহার করে জিলিপি তৈরি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৫ কেজি জিলিপি ধ্বংস করেন। তিনি মদিনা হোটেল অ্যান্ড বিরিয়ানি হাউসকে একই অপরাধে ১০ হাজার টাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতের জন্য ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং আনুমানিক ৪০ কেজি বাসি মিষ্টি ফেলে দেন।