দিনভর সূর্যের দেখা মিলেনি

মেঘাচ্ছন্ন নগরী, শাহ আমানত বিমানবন্দরে ফ্লাইট শিডিউলে বিলম্ব

43

সকাল থেকে সারাদিনই আকাশে সূর্যের দেখা মিলেনি। কুয়াশায়ায় ঢাকা ছিল চট্টগ্রাম মহানগরীর আকাশ। ভোর থেকে ১১টা পর্যন্ত ছিল বেশি কুয়াশা। তারপর কিছুটা কমলেও বিকেল পর্যন্ত কূয়াশা ছিল সর্বত্র। অনেক বেলা পর্যন্ত হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। গ্রামে তা আরো অনেক বেশি ছিল। আবহাওয়াবিদরা বলছে, রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে আজ রবিবার থেকে। শৈত্যপ্রবাহও প্রশমিত হতে পারে। এদিকে কুয়াশার কারণে শাহ আমানত বিমানবন্দরে ফ্লাইট সিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে।দেখা যায়, সকাল ১১টা পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল নগরী। ধোঁয়ার মত কুয়াশা উড়তে দেখা যায়। সকালে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে বের হলে ৫ হাত দূরের কাউকে দেখা যায়নি। সামনের গাড়িও দেখতে কষ্ট হয়েছে পেছনের চালকের। হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালিয়েছেন চালকরা। কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচল করেছে ধীর গতিতে। একটি থেকে আরেকটি দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করেছে। কারণ লাইট জ্বালিয়েও সামনের গাড়ি দেখা যায়নি বলে জানান চালকরা। একারণে কয়েকটি দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেেেছ। একটি গাড়ির সাথে অপর গাড়ির ধাক্কাও লেগেছে। এতে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বেশ কিছু গাড়ি। দেখা যায়, বাস, টেম্পু, ট্যাক্সি, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসসহ সব ধরনের গাড়ি হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে। দিনের বেশিরভাগ অংশই এভাবে গেছে। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে আবুধাবী থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারেনি। সেটি সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফলে চট্টগ্রাম থেকে প্রথম ফ্লাইট সঠিক সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি। একইভাবে অন্যান্য ফ্লাইটও ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে যাচ্ছে।জানা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে চট্ট্রগাম থেকে বাংলাদেশ বিমানসহ সব এয়ার লাইন্সের ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্ব হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লাইট অবতরণ করতে না পারায় ছাড়তে পারেনি।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইট ছেড়ে যাওয়া কথা ছিল। কিন্তু সেটি আবুধাবী থেকে এলেও শাহ আমানতে নামতে পারেনি। ফলে সকাল ১১টায় প্রথম ফ্লাইট ছেড়ে যায়।