মূল্যস্ফীতি কমেছে

14

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস অগাস্টে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়লেও সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার আগের তুলনায় কমে এসেছে।
পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে অগাস্টে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। গত বছরের একই মাসে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর এ বছর জুলাইয়ে ছিল ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তৈরি করা সর্বশেষ প্রতিবেদনের এই তথ্য বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেন, অগাস্ট মাসে দেশে খাদ্য উপ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ, গত বছর একই সময়ে যা ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ ছিল। আর এ বছর জুলাই মাসে এ হার ছিল ৬ দশমিক ১৮ শতাংশ।
আর খাদ্য বহির্ভূত উপ-খাতে এবার অগাস্টে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। গত বছরের অগাস্টে এ হার ছিল ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ; চলতি বছরের জুলাই মাসে ছিল ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, এবার অগাস্ট মাসে পরিধেয় বস্ত্র ও বাড়ি ভাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের জন্য মানুষের খরচ বেড়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “এ বছরের শুরু থেকেই খাদ্য পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল, বিশেষ করে খাদ্য পণ্যের দাম ছিল স্থিতিশীল। তাই অগাস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি আগের মাসের তুলনায় কিছুটা কমে এসেছে।”
মূল্যস্ফীতি কমার এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
বিবিএস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী গত অগাস্ট মাসে গ্রামীণ এলাকায় সাধারণ মূল্যস্ফীতিও পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ হয়েছে। গত বছরের অগাস্ট মাসে তা ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ ছিল।
তবে শহরাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।