কাপ্তাই সড়কে সমাবেশে বক্তারা

মুনির উল্লাহ তরিকতের নামে চাদাঁবাজি ও জুলমবাজি করত

রাউজান প্রতিনিধি

29

রাউজান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ বলেন, মুনির উল্লাহ তরিকতের নামে প্রতিদিন তরিক্বতপন্থিদের কাছ থেকে নুন্যতম ৫টা হারে চাঁদা আদায় করত। তাই তিনি একজন চাঁদাবাজ, জুলমবাজ। সেই তরিকতের নামে ইসলামকে কলঙ্কিত করেছে। তার এসব অপকর্মের কারণে তাকে রাউজানে আর ঢুকতে দেওয়া হবে না। এতে রাউজানের প্রবেশদ্বার উরকিরচর ইউনিয়ন থেকেই তাকে প্রতিহত করা হবে। তিনি গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কাপ্তাই সড়কের রাউজান উপজেলা উরকিরচরে সর্বস্তরের জনসাধবরণের ব্যবস্থাপনায় ভন্ড তরিকত সংগঠন মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটির সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ ও এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা কারী, কিশোর শহীদ নঈম উদ্দীন ও বিভিন্ন সময় আলেম ওলামা, মুক্তিযোদ্ধা,ও সাধারণ জনগণের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারপ‚র্বক শাস্তি ও ফাঁসি সহ অসংখ্য নিরীহ জনতার উপর আরোপিত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমার তরিকতের বিরুদ্ধে কথা বলব তা স্বপ্নেও ভাবেনি। কিন্তু মুনির উল্লাহ মুনিরীয়া তরিকতের নামে হামলা, মামলা থেকে আলেম ওলামা, রাজনৈতিক ব্যক্তি থেকে কেউ রক্ষা পায়নি। এমনকি শহীদ নঈমুদ্দিনকে তারা নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তাদের অপকর্ম প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি স্থানীয় পত্রিকার বিরুদ্ধেও এখন কথা বলছে। আমি বলব এদের এত সাহস কোথায়। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক।
বক্তারা বলেন, অথচ আমাদের সাংসদকে নিয়ে স্থানীয় পত্রিকার সাথে জড়িয়ে নানা পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নানা কথা বার্তা বলছে। এটা ঠিক নয়। আপনাদের সময় শেষ হয়েছে। আর জঙ্গিবাদ, অপকর্ম রাউজানে করতে দেওয়া হবে না। পশ্চিম গুজরা ইউপি চেয়ারম্যান লায়ন সাহাবুদ্দিন আরিফ বলেন, আজ আমি জনগণের সামনে খুবই লজ্জিত। কারণ আমার ইউনিয়নের কাগতিয়ায় ভন্ড মুনির উল্লাহর অপকর্মের ঘাটি। কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি- তাকে রাউজানে পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নে কোন অবস্থাতেই ঢুকতে দেওয়া হবে না। যদি ঢুকতে চাই, তাহলে প্রতিহত করা হবে।
অধ্যক্ষ আল্লামা হাছান রেজা (মা.জি.আ) বলেন, মুনির উল্লাহ গাউছুল আজমসহ নানা ইসলামী পদবী দাবী করে নিজের দরবারকে সবার সেরা হিসেবে দাবী করেছিল। কিন্তু সেই ভন্ডামী আজ মানুষ জেনে গেছে। তাছাড়াও তিনি কাগতিয়া মাদ্রাসার নামে সমগ্র রাউজানের কোরবানির চামড়া নিয়ে অন্য মাদ্রাসার এতিমদের হক কেড়ে নিয়েছে। আমি তাকে বলেছিলাম, আপনি রাউজানের সব মাদ্রসার এতিমদের দায়িত্ব নেন। কিন্তু তা তিনি করেন নি। সে নিজেকে একজন আলেম দাবী করে যে ভন্ডামী করেছে, তার এসব অপকর্মের প্রতিবাদে আজ আম জনতাই সোচ্চার।
এতে বক্তারা বলেন, কাগতিয়া মাদ্রাসা এক সময় রাজাকারের ঘাটি ছিল। এখনো এ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুনির উল্লাহর পৃষ্টপোষকতায় জঙ্গি কার্যক্রম চলছে। তাই অধ্যক্ষ পদ থেকে অবিলম্বে মুনির উল্লাহকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মুনির উল্লাহ মুনিরিয়া যুব তাবলীগ কমিটি গঠন করে একের পর এক আলেম উলামা, মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ ও সুন্নি নেতৃবৃন্দের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একারণে এ সংগঠন নিষিদ্ধকরণ এখন সময়ের দাবী।
উরকিরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার। প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা গাজী শফিউল আলম নেজামী। রাউজান সুন্নী যুব ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব আমান উল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, রাউজান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ, আ.লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা, যুবলীগ নেতা আহসান হাবীব চৌধুরী হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবসার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শফিউল আলম, সরোয়ার আলম, ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান লায়ন সাহাব উদ্দিন আরিফ, মাওলানা হাসান রেজা আলো কাদেরী, অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক আলকাদেরী, মাওলানা মঈনুদ্দিন রেজভী, মাওলানা আবুল কাশেম রেজভী, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নোমান, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি মফজল হোসেন, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক আবু জাফর রাশেদ, জাহাঙ্গীর সুমন, যুগ্ম আহবায়ক শওকত হোসেন, ইউপি সদস্য সৈয়দ নাছির উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, নুরুল আবসার, কাউছার আলম, আহমদ সৈয়্যদ, উপজেলা গাউসিয়া কমিটির সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির সভাপতি মফিজুল আলম শাহ, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সালাউদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিল্লুর রশিদ মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন পিবলু, রাউজান ছাত্রলীগ দক্ষিণের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন, ছাত্রসেনার সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল রোমান। সাজেদুল করিম, মনিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ আরমান হোসেন, মনিরুল ইসলাম, মফিজুর রহমান, কাজী মেজবাহ উদ্দীন, মুহাম্মদ সালাউদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রায়হান, ফিরুজ আলম, মামুনুর রশীদ শাউন প্রমুখ। এতে বক্তারা বলেন, কাগতিয়া মাদ্রাসা এক সময় রাজাকারের ঘাটি ছিল। এখনো এ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুনির উল্লাহর পৃষ্টপোষকতায় জঙ্গি কার্যক্রম চালছে। তাই অধ্যক্ষ পদ থেকে অবিলম্বে মুনির উল্লাহকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মুনির উল্লাহ মুনিরিয়া যুব তাবলীগ কমিটি গঠন করে একের পর এক আলেম উলামা, মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ ও সুন্নি নেতৃবৃন্দের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একারণে এ সংগঠন নিষিদ্ধকরণ এখন সময়ের দাবী।