মাননীয় মেয়র মহোদয় সমীপে

57

আমার সালাম নিবেন। আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে একটি বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার লেখার সাহস হল এজন্য যে, অপর্ণাচরণ স্কুলের ছাত্রীর কথা শুনে আপনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছেন। আশা করি, আমার চিঠিখানি পড়ে সাধ্যমত প্রতিকার করবেন।
আপনি নগর পিতা। নগরের প্রতিটি জায়গার সমস্যা সবসময় আপনার নজরে আসবে না যদি কেউ না জানায়। আপনার পক্ষেতো সব জায়গায় যাওয়া সম্ভব নয়। বড়মিয়া মসজিদসংলগ্ন খালপাড়ে যাতায়াতের জন্য তিনটি ব্রীজ ছিল। কিছুদিন আগে সবগুলো ব্রীজ একসাথে ভেঙে ফেলা হয়। পরিবর্তে তৈরি করা হয়েছে বাঁশের / তক্তার সাঁকো। স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের কি কষ্ট হচ্ছে আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন। বাকলিয়া সরকারি স্কুলে আসতে হলে পূর্বদিকের রাস্তায় আসতে হয়। কিন্তু কেবি আমান আলী সড়ক হতে স্কুলের দিকে আসার রাস্তার প্রবেশপথেই রয়েছে তরিতরকারী ও মাছের দোকান। যার জন্য হাঁটাচলা, রিক্সা করে আসা-যাওয়া খুব কষ্টকর ব্যাপার। সকালে টমটম গাড়ির দৌরাত্ম্যে কেবি আমান আলী সড়কে চলা দায়। আর রাত্রে ধোনিপোলের পূর্বপার্শ্বে এলোপাতাড়িভাবে রিক্সা রাখার ফলে পথচারীদের চলাফেরা করতে কষ্ট হচ্ছে। আশা করি, খালের যে তিনটি ব্রীজ ভাঙা হয়েছে তার বিকল্প হিসেবে রসুল বাগ মসজিদসংলগ্ন ব্রীজ তৈরি করে দেন আমরা অনেক উপকৃত হব।
আপনার প্রতি আর একটা অনুরোধ সাথে সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে রাস্তার উপর মালামাল বিক্রি, ভ্যানগাড়িতে মালামাল বিক্রি, ইট, বালু, কংক্রিট, লোহার স্তুপ বন্ধ করতে পারলে সাধারণ মানুষ নিরাপদে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। অনুগ্রহ করে আপনি যদি অকস্মাৎ এ এলাকা পরিদর্শন করেন তাহলে আমরা কৃতার্থ হবো।
এম এইচ রহমান, চকবাজার, চট্টগ্রাম।