২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়

মহাসড়কের সীতাকুন্ড অংশ ছিল আ.লীগের দখলে

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

5

ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড অংশ ছিল সকাল থেকে আওয়ামী লীগের দখলে। একইভাবে মহাসড়কের পুলিশের সাজোয়া ট্যাংক নিয়ে সতর্ক অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মত। জানা যায়, ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে ঘিরে বিএনপি-জামায়াত শিবির যাতে মহাসড়কে কোন নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে বুধবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম-৪ সংসদীয় আসন সিটি গেইট থেকে বড় দারোগারহাট পর্যন্ত মহাসড়ক আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। রায় ঘোষনার আগ থেকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী মহাসড়কের বিভিন্ন পয়ন্টে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। উপজেলার সিটি গেইট সলিমপুর থেকে বড় দারোগারহাট পথসভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন সাবেরি, সদস্য মো. ইদ্রিস, উপজেলা আওয়ামী লীগের স-সভাপতি এজেএম মহসিন জাহাঙ্গীর, মো. আযম, আবুল হাসেম ভূইয়া, যুগ সম্পাদক ও বারৈয়াঢালা ইউপি চেয়ারম্যান রেহান উদ্দিন রেহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাঁশবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীর, মুরাদপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদ হোসেন নিজামী, কুমিরা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, ভাটিয়ারী আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন, মো. আমজাদ, মাহবুব আলম, মো. বেলাল উদ্দিন, নূর মোহাম্মদ তারাকি, খাইরুল আযম জসিম, মো. শাহজাহান, আবদুস সালাম, শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম, মহিলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মোছাম্মদ দেলোয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক শাহীনূর আক্তার বিউটি, যুব মহিলালীগের আহবায়ক জয়নব বিবি জলি, ছাত্রলীগ সভাপতি জাহেদ চৌধুরী ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সাহেদ, নাজিম উদ্দিন, ইমাম উদ্দিন আদিল, মেহেদি হাসান রুবেল, সোহরাফ হোসেন টিপুসহ শত শত নেতাকর্মী। এ সময় বিভিন্ন স্থানে অবস্থানে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইসহাক সাংবাদিকদের জানান, আমি মাননীয় এমপি আলহাজ দিদারুল আলমের নির্দেশে সীতাকুন্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে রায় ঘোষনার আগ থেকে মহাসড়কে অবস্থান করেছি। এই রায়ে সীতাকুন্ড আওয়ামী লীগ পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেনি। কারণ ঘটনার মাস্টার মাইন্ড হলো তারেক জিয়া। কিন্তু রায়ে উনাকে মৃত্যুদন্ড সাঁজা না দিয়ে আদালত যাবজীবন কারাদন্ড দিয়েছে। আমি সরকারকে আহবান জানাবো এই মামলার মাস্টার মাইন্ড তারেক জিয়াকে আপিল পরবর্তী সর্বোচ্চ সাজার ব্যবস্থা করা। আমাদের এই অবস্থান নাশকতাকারিদের বিরুদ্ধে সব সময় থাকবে। আইন-শৃঙ্খলার বিষয়ে সীতাকুন্ড থানার অফিসার ইনচার্জ মো. দেলওয়ার হোসেন বলেন, সকল ধরণের নাশকতা রোধে মহাসড়কে আমাদের সতর্ক অবস্থান রয়েছে, কেউ যদি নাশকতা করার চেষ্টা করে আমরা তা কঠোর ভাবে দমন করবো।