ভোটের মুখে বিতর্কে জড়ালেন মিমি চক্রবর্তী

অনলাইন বার্তা সংস্থার

20

সম্প্রতি তার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ভোটের প্রচারে গিয়ে জনসাধারণের সঙ্গে গ্লাভস পরে হাত মেলাচ্ছেন অভিনেত্রী। বিতর্কের সূত্রপাত এই ছবি থেকেই। ভোটের মুখে বিতর্কে জড়ালেন যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। প্রচারে গিয়ে তিনি এমন কান্ড ঘটালেন যার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো রোষের মুখে পড়েছেন এই জনপ্রিয় নায়িকা। নেটিজেনরা বলছেন, যে গ্লাভস পরে সবার সঙ্গে হাত মেলান, তিনি জনপ্রতিনিধি কি করে হবেন? এখনই যদি এমন অবস্থা হয় পরে তো তবে এই জনপ্রতিনিধিকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না। এমন সব ট্রোলে এখন সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ছবির সত্যতা অস্বীকার করা হয়েছে। বলা হয়েছে এই ছবিটি অনেক পুরনো। ভোটের সময় সেই পুরনো ছবি খুঁজে বের করে সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মিমির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা চালাচ্ছে বিরোধীরা।
মিমি ইতোমধ্যেই অনেক জায়গায় প্রচার চালিয়েছেন। তখন তো কোন গ্লাভস পরেননি। কিন্তু তূণমূলের এই বক্তব্যের পরও সমালোচনা কমেনি। আপাতত ট্রোল, কমেন্ট পাল্টা কমেন্টে সোশ্যাল সাইটে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক দ্ব›দ্ব। তবে মিমির উপর এর কতটা প্রভাব পড়েছে তা এখনও জানা যায়নি। কারণ যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল তারকা প্রার্থী মিমি রোববার শিলিগুড়ি যাচ্ছেন। ১৯ তারিখ মামাতো বোন সুকন্যার বিয়ে। তার আগের দিন উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। বাড়ির পাশে পান্ডাপাড়া কালীবাড়ি নিম্ন বুনিয়াদি স্কুলের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে এবার ভোট দিতে দেখা যাবে ঘরের মেয়ে তথা তৃণমূলের তারকা প্রার্থী মিমিকে। তার মামা রাম চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ভোটার তালিকায় তিন নম্বরে নাম রয়েছে মিমির। জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনের নম্বরও তিন। কাকতালীয় হলেও ইভিএমএ তৃণমূল প্রার্থীর নামও রয়েছে তিন নম্বরে। নায়িকা হওয়ার পর এই প্রথম বাড়িতে বেশ কয়েকদিন কাটাবেন মিমি। স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত পাড়ার মিমি ফ্যান ক্লাবের সদস্যরাও। ফ্যান ক্লাবের সম্পাদক অভিজিৎ দাস জানান, পাড়ার মেয়ে মিমি। ছোটোবেলা থেকে এই পাড়াতে বড় হয়ে আজ বাংলা ছবির ব্যস্ত নায়িকা। আগামী দিনে সংসদে মিমিকে দেখতে চাই। আগাম শুভেচ্ছা জানাতে ক্লাবেই মিমির সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন তারা।