আগুন ঝরা ফাগুন

ভুলবো না ভুলবো না/ সেই একুশে ফেব্রæয়ারি ভুলবো না/ লাঠি গুলি আর টিয়ার গ্যাস/ মিলিটারি আর মিলিটারি ভুলবো না/ ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ এই দাবিতে ধর্মঘট/ বরকত সালামের খুনে লাল ঢাকার রাজপথ…

নিজস্ব প্রতিবেদক

71

জেলা মুসলিম লীগের একাংশের নেতা আজিজুর রহমান ও তমদ্দুন মজলিসের নেতা আজিজুর রহমান। বিভিন্ন ক্লাব ও যুব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন কৃষ্ণগোপাল সেনগুপ্ত (কালাচাঁদ)। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংস্কৃতিসেবীদের মধ্য থেকে শামসুদ্দিন আহমদ, তৎকালীন গণতন্ত্রী দলের অধ্যাপক মফিজুল ইসলাম, রুহুল আমিন নিজামী (উদয়ন পত্রিকার সম্পাদক) সুধাংশু ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও মহল্লা সর্দার শামসুদ্দিন জগলু, দোকান-কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা মনীন্দ্র মহাজন ও সুনীল মহাজন, তৎকালীন ছাত্রনেতা এমদাদুল ইসলাম ও আবু জাফর, ডা. সৈয়দুর রহমান, ডা. নুরুল আজিম, ডা. সরোজ দে প্রমুখ। পরে এই সংগ্রাম পরিষদকে আরও বর্ধিত করা হয়। সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদে কমিউনিষ্ট পার্টি নিষিদ্ধ থাকায় তাদের সরাসরি কোন প্রতিনিধি ছিল না। জেলার বিশিষ্ট সাহিত্যিক গোপাল বিশ্বাস কমিউনিষ্ট পার্টি ও সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতেন।
এছাড়া, সভায় বাংলা, ইংরেজি ও উর্দু-এ তিন ভাষায় পোস্টার লেখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উর্দুভাষী কুশলী পোস্টার লেখার কর্মীও এসে জোটে। কর্মীরা বুকে কালোব্যাজ লাগিয়ে রেয়াজুদ্দিন বাজার, খাতুনগঞ্জ এলাকা থেকে দু’আনা এক আনা করে চাঁদা তুলে পার্টির অফিসে জমা দিত। এ দিয়েই মাইক ও পোস্টারের খরচ চলত। আওয়ামী লীগ অফিস থেকে প্রচার কাজের জন্য প্রথমেই বের হন ওবায়দুল হক ও চকবাজারের সালেহ আহমদ। কর্মীরা ‘অ’ ‘আ’ ‘ক’ ‘খ’ বর্ণ লিখে তা নিয়ে মিছিল বের করত। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শহরে