ভাষার মাসে সন্দীপনার চার দিনের কর্মসূচি

28

একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সন্দীপনা কেন্দ্রীয় সংসদের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় ৪ দিনের কর্মসূচী ব্যাপক অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি দিনভর কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। একুশের প্রত্যুষে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে মুক্তমঞ্চে একুশের গান দিয়ে দিনের কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় “বায়ান্ন আর একাত্তরের চেতনা ধারণ করে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ রুখে দিয়ে গণতন্ত্র সুসংহত করার এখনই সময়” শীর্ষক আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী এ.কে.এম ফজলুল্লাহ। দিবসে প্রথম বারে আলোচনা পর্বে সম্মানিত অতিথিবৃন্দের মাঝে ছিলেন- জাপানের অনারারি কনস্যুলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন রিসার্চ সোসাইটি ভারত এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেবকন্যা সেন, বিশিষ্ট সংগঠক এড. তপন কান্তি দাশ, সন্দীপনার কেন্দ্রীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা যদু গোপাল বৈষ্ণব, রাজনীতিবিদ ভানুরঞ্জন চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক বেলায়েত হোসেন, অধ্যক্ষ শেখ এ রাজ্জাক রাজু, খ্যাতিমান বস্ত্র নকশা শিল্পী মিসেস রওশন আরা চৌধুরী, সংগীত পরিচালক ও গীতিকার শিল্পী এম.এ. হাশেম, অধ্যক্ষ রওশন আরা ইউসুফ, আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সন্দীপনা প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও চ.বি গবেষক ভাষ্কর ডি.কে. দাশ (মামুন) ও সংগঠক জসীম উদ্দিন চৌধুরী। সকাল সাড়ে ১১টায় সন্দীপনা ঘোষিত একুশে স্মারক সম্মাননা- ২০১৯ গ্রহণ করেন- সাবেক সহকারী জজ এড. মনজুর মাহমুদ খান (সুশাসন ও সংস্কৃতিসেবা), ভারতের জাতীয় শিক্ষক মিনতি দত্ত মিশ্র (শিক্ষা ও সাহিত্য চর্চা), বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. মফজল আহমদ (মুক্তিযুদ্ধ ও শিক্ষায় অবদান), নাট্যজন প্রদীপ দেওয়ানজী (নাট্য চর্চা ও সাংবাদিকতা), মিসেস শিবানী সিংহ ভারত (সাহিত্য ও গবেষণা), আনজুমান বানু লিমা (শিক্ষা ও প্রশাসন), প্রকৌশলী মো: ইউসুফ (বিজ্ঞান ও সমাজসেবা), শোয়েব ফারুকী (ফটোগ্রাফি), ভারতের মালদার ভূমিপুত্র এড. আবদুস সামাদ (ইতিহাস ও সাহিত্য চর্চা), আহমদ মমতাজ (গবেষণা), রম্য লেখক সত্যব্রত বড়ুয়া (সাহিত্য), অধ্যাপক ডা: ডি.কে ঘোষ (চিকিৎসা বিজ্ঞান ও সমাজসেবা), শেখ শওকত ইকবাল (নাট্য চর্চা), শ্রীমৎ স্বামী লক্ষী নারায়ণ কৃপানন্দ পুরী। দুপুর সাড়ে ১২টায় সন্দীপনার একুশ মঞ্চে ভারতের বিশিষ্ট লেখিকা মিনতি দত্ত মিশ্র’র “ভাষার জন্য পদ্য” গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এরপর দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন- সন্দীপনা সংগীত বিভাগ, জয় বাংলা শিল্পী গোষ্ঠী ও নিবেদন শিল্পী গোষ্ঠী। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কবিতা পাঠের আসরে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট বাচিক শিল্পীদের মাঝে অংশ নেন- সর্ব আবৃত্তিকার হাসান জাহাঙ্গীর, ইমরান ফারুকী, অনির্বাণ চৌধুরী জিকু, দেবাশীষ রুদ্র, ফারুক তাহের, বিজয় চক্রবর্ত্তী, মো: মোজাহেদুল ইসলাম, কবি তরণী কুমার সেন, কবি তাহেরা খাতুন, কবি স্বপন বড়ুয়া প্রমুখ।
বিকেল ৩টায় “সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলন অনিবার্য করার গুরুত্ব” শীর্ষক সমাপনী আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ড. শিরীণ আখতার। সন্দীপনার কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা চ.বি অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচকবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠক মো: হাবিব উল্লাহ, বিশিষ্ট সংগঠক ও সমাজসেবী এম.এ. সালাম, প্রধান শিক্ষক বাবুল কান্তি দাশ, রাজনীতিবিদ আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, কবিয়াল আবদুল লতিফ, মো: মোশাররফ হোসেন খান রুনু, নাট্যজন এমরান হোসেন মিঠু, প্রকৌশলী অনিত কুমার নাথ, ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ, সংগঠক প্রণব রাজ বড়ুয়া, সংগঠক সজল দাশ, সালাউদ্দিন লিটন, মোঃ হাছান মোল্লা, মো: হারুন অর রশিদ, নাট্যকর্মী জাহানারা পারুল, ওস্তাদ রতন কুমার রাহা, কবিয়াল সন্তোষ কুমার দে প্রমুখ। বিকেল সাড়ে ৪টায় বেতার টেলিভিশন শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠান “একুশের পদাবলিতে” অংশ নেন- শিল্পী এম.এ হাশেম, শিল্পী এস.এম ফরিদুল হক, শিল্পী রূপম মুৎসুদ্দী, শিল্পী বৃষ্টি দাশ, শিল্পী উজ্জ্বল সিংহ, শিল্পী হানিফুল ইসলাম, শিল্পী জামাল উদ্দিন, কবি আসিফ ইকবাল, শিল্পী মৈত্রী আচার্য, শিল্পী ঊর্মি দাশ প্রমুখ। সন্ধ্যা ৬টায় পরিবেশিত হয় একুশের রক্তঝরা ত্যাগের মহিমায় রচিত মুনির চৌধুরী’র বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ এর মুক প্রযোজনা। স্ক্রীপ্ট লিখন ও নির্দেশনায় যথাক্রমে- রিজোয়ান রাজন ও মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। নাটকটি প্রযোজনায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন- ভাষ্কর ডি.কে. দাশ (মামুন)। সর্বশেষ পরিবেশনায় কবি গানের আসরে অংশ নেন- সর্বকবিয়াল আবদুল লতিফ, সন্তোষ কুমার দে, জয়ন্ত নাথ। বিজ্ঞপ্তি