বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতনে বেড়েছে সূচক

16

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও সবকটি মূল্য সূচক বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। তবে বাজারটির সার্বিক মূল্য সূচক সিএসইএক্স কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু পতন হয়েছে বাছাই করা সিএসই-৩০ ও সিএসই-৫০ এই সূচক দু’টির পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার পর্যালোচনা দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে ১৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ১৭১টি। আর ২৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
অপর দু’টি মূল্য সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন বাজারটিতে মূল্য সূচক বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে প্রকৌশল ও ওষুধ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। ডিএসইতে প্রকৌশল খাতের ২৪টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমার তালিকায় রয়েছে ১১টি। আর ওষুধ খাতের ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে এবং ১০টির দাম কমেছে।
এদিকে বেশ কিছুদিন ধরে ধুকতে থাকা ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম রোববারও কমেছে। এদিন ডিএসইতে ব্যাংক খাতের মাত্র ৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২১টির।
মূল্য সূচকের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনেও লেগেছে ইতিবাচক প্রভাব। ফলে সাত কার্যদিবস পর বাজারটিতে আবার হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৯১২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১৪২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বিবিএস কেবলসের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪০ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইফোদ অটোসের ৪০ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৬ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে নাহি অ্যালুমিনিয়াম।
লেনদেনে এরপর রয়েছে- কেডিএস এক্সেসরিজ, আমান ফিড, ড্রাগন সোয়েটার, নাভানা সিএনজি, বসুন্ধরা পেপার, অ্যাকটিভ ফাইন, শাশা ডেনিম।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএসসিএক্স ১২ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৯৬০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি ১১ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৮টির দাম বেড়েছে।
বিপরীতে দাম কমেছে ১০৭টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।