বেঁচে থাকলে ঈদ করা যাবে : কাদের

8

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে ঈদ আনন্দ উদ্যাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল শুক্রবার সকালে নিজের সরকারি বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এবার এক ভিন্ন বাস্তবতায় ঈদুল ফিতর আসন্ন। ঈদের আনন্দ উদ্যাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বেঁচে থাকলে আমরা ঈদ উদ্যাপনের সুযোগ পাব। এখন করোনাবিরোধী লড়াইয়ে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারে নির্দেশনা প্রতিপালন করি, স্থানান্তর না করি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি’।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘আমরা এখন দুটো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ ও চিকিৎসা এবং আরেকটি হচ্ছে সুপার সাইক্লোন আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে সাইক্লোন পরবর্তি পুনর্বাসন তৎপরতা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও নিবিড় তত্ত¡াবধানে চলছে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পুনর্বাসনের কাজ। সশস্ত্রবাহিনী, বিশেষ করে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সিভিল প্রশাসনকে উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে এবং বেড়িবাঁধ মেরামত কাজ করছে। পাশাপাশি পুলিশ ও সামাজিকে-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ কাজে এগিয়ে এসেছে’।
শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহব্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগে থেমে থাকেনি বাংলাদেশ। প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে মর্যাদার সাথে মাথা তুলে দাঁড়ানো এক দেশ বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা করোনাভাইরাস সংকট এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে ঘুরে দাঁড়াব ইনশাল্লাহ। আপনারা মনে সাহস রাখুন, মনোবল হারাবেন না। দুর্যোগ ও দুর্বিপাকে পরীক্ষিত নেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে’।
করোনাভাইরাস সংকটে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘মাটি ও মানুষের দল অতীতেও মানুষের সাথে ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ছিন্নমূল শিশু, ভাসমান ও অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদের আগে উপহারসামগ্রী বিতরণ করছেন, যা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমি সারা দেশের নেতা-কর্মীদের ঈদের আগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আবারও আহব্বান জানাচ্ছি’। খবর বিডিনিউজের