বিশ্ব শান্তি সূচকে ৯ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ

10

গত বছরের চেয়ে ৯ ধাপ পিছিয়ে বিশ্ব শান্তি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১০১তম। গত মঙ্গলবার লন্ডনে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) এই সূচক প্রকাশ করেছে। ২০১৮ সালেও পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে কয়েক ধাপ পিছিয়েছিল বাংলাদেশ। গতবার এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৩তম।
১৬৩ স্বাধীন দেশের ওপর পরিচালিত জরিপের তথ্য অনুযায়ী এই সূচক প্রকাশ করেছে আইইপি। এবারের প্রতিবেদনটি গ্লোবাল পিস ইনডেক্স বা বিশ্ব শান্তি সূচকের ১৩তম সংস্করণ। এই সূচকে বিবেচ্য বিষয় ধরা হয়- সহিংসতা, সংঘর্ষ ও সামরিকীকরণ জারি। বিশ্বের ৯৯.৭ শতাংশ মানুষ এই জরিপের আওতায় পড়ে।
গতবার বিশ্ব শান্তি সূচকে ১৬৩ দেশের মধ্যে ২ দশমিক ০৮৪ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ৯৩তম। বাংলাদেশের এবারের স্কোর ২ দশমিক ১২৮। এর আগে ২০১৭ সালে ২ দশমিক ০৩৫ স্কোর নিয়ে ৮৪তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।
২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন, বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। এই অঞ্চলে ৩৯ কোটি ৩০ লাখ মানুষ এই ঝুঁকির আওতায় রয়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সহিংসতার কারণে ব্যয় হয়েছে ২২ হাজার ২৯৬ মিলিয়ন ডলার যা জিডিপির তিন শতাংশ।
‘গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে’ এ বছর ১ দশমিক ০৭২ স্কোর করে শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপের দেশ আইসল্যান্ড। ১ দশমিক ২২১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। পরে তিনটি অবস্থানে থাকা পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া ও ডেনমার্কের স্কোর যথাক্রমে ১ দশমিক ২৭৪, ১ দশমিক ২৯১ ও ১ দশমিক ৩১৬। খবর বাংলা ট্রিবিউনের
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও ভুটান, শ্রীলংকা ও নেপালের চেয়ে পিছিয়ে আছে। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে এবার ১ দশমিক ৫০৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ভুটান। বৈশ্বিকভাবে সূচকে তাদের অবস্থান ১৫তম। বৈশ্বিকভাবে ১৬৩তম অবস্থানে থাকা আফগানিস্তানই এবারের সূচকে তলানিতে থাকা দেশ। আফগানিস্তানের একধাপ ওপরে আছে সিরিয়া।