‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য রাজপথেই প্রতিহত করা হবে’

পূর্বদেশ ডেস্ক

11

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ছিল গতকাল। এ রায়কে ঘিরে জামায়াত-বিএনপির নাশকতা প্রতিরোধে রাজপথে অবস্থান নিয়েছিল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন। এতে বক্তারা বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য রাজপথেই প্রতিহত করা হবে।
ছাত্রলীগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ছাত্রলীগের উদ্যোগে সংগঠনের আহব্বায়ক শফিউল আজম জিপুর নেতৃত্বে নগরীর প্রবর্ত্তক মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহব্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম রিপন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাপ্পী, সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ উদ্দিন ফাহিম, সাদ্দাম হোসেন, সাকিব চৌধুরী, শাহরিয়ার মনির জিসান, জাহেদুল ইসলাম রাফি, রিদুয়ানুল ইসলাম, বিজিসি ট্রাস্ট ছাত্রলীগ নেতা সাঈদ আনোয়ার তোফা, ইমন খান মানিক, রিয়াদুল ইসলাম, দিদারুল ইসলাম, সাদেকুর রহমান, সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার নূর, আবু তাহের নয়ন, মাকসুদুর রহমান মুকুল, ইরাম তৌছিফ, মো. তৈয়ব, মো. সোহেল প্রমুখ।
নাসিরাবাদ ওয়ার্ড আ.লীগ : ৪২নং নাসিরাবাদ (সাংগঠনিক) ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অবস্থান কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে ওয়ার্ড আ’লীগ সহ-সভাপতি সিদ্দিক কোম্পানির সভাপতিত্বে ও মাবুদ সওদাগরের সঞ্চালনায় ষোলশহর ২নং গেট, সুপার মার্কেট প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পাঁচলাইশ থানা আ’লীগ নেতা মো. আলী আকবর। বক্তব্য রখেন এ কে এম জাফর উল্লাহ্ চৌধুরী, শাহআলম কনট্রাক্টর, দ্বীনবন্ধু দাশ গুপ্ত, বজল আহম্মদ, মো. আনছার, মো. নাসির, তপন, মো. মুছা, মো. রফিক, হায়দার আলী, মো. কামাল, কোরবান আলী, শের আহম্মদ, মুরিদুল আলম লিটন, রানা শীল, সঞ্জয় গোস্বামি, মো. স্বপন, কৌশিক দেব বাপ্পী, সেন্টু দাশ, নটরাজ দাশ গুপ্ত, মো. ওয়াহিদ, মো. বশর, আশরাফুল যুবদার যুবরাজ প্রমুখ।
যুবলীগ মহানগর আওতাধীন ওয়ার্ডসমূহ : যুবলীগ কেন্দ্রীয় সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু বলেছেন, প্রতিহিংসা ও নষ্ট রাজনীতির ধারক তারেককে বাঁচানোর যে কোন চেষ্টা প্রতিহত করতে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকতে হবে। তিনি গতকাল গ্রনেড হামলার রায়কে কেন্দ্র করে মহানগর যুবলীগ আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ডসমূহের অবস্থান কর্মসূচিতে এ কথা বলেন।
যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটুর সভাপতিত্বে ও রায়হান নেওয়াজ সজীবের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন নূরন্নবী পারভেজ, মো. ইউনুছ, মারুফ আহমেদ সিদ্দিকী, ইরশাদ ইফতেখার, রাশেদ চৌধুরী, জাহেদ হোসেন খোকন, আমিনুল ইসলাম, মো. কায়সার, ফারুক হোসেন, ইয়াসিন আরাফাত, শাহজাহান, কাজী আরিফ, বশির আহমেদ, জুবায়ের হোসেন অভি।
মোহরা ওয়ার্ড বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদ : মোহরা কবির টাওয়ার চত্বরে মোহরা ৫নং ওয়ার্ড বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদ কর্তৃক অবস্থান কর্মসূচি এবং বিক্ষোভ মিছিল সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিনের সঞ্চালনায় ও সভাপতি মো. হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন কাজী নুরুল আমিন মামুন, জসিম উদ্দিন, আয়াছ উদ্দিন, নুরুল আবছার খান, মো. জসিম, মো. জিয়া, মো. আলমগীর, আজম খান, জাফর আহমেদ, ওসমান গনি, মো. আরজু, মো. খোকা, নুর মোহাম্মদ।
উপস্থিত ছিলেন চান মিয়া, মো. হারুন, শহীদুল্লাহ কায়ছার লিটন, গিয়াস উদ্দিন, মো. ফারুক, মো. আজম, ইফতেখার আবেদীন চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান রনি, দেলোয়ার হোসেন, ইমরান উদ্দিন রাজু, মো. সাকিব, মোস্তফা কামাল, সাইফুল ইসলাম সুরুজ, মো. সালাউদ্দিন, কায়ছার উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, মো. আরমান, আরিফুর রহমান মুন্না, মো. জিমি, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদ চান্দগাঁও ওয়ার্ড : বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদ ৪নং চান্দগাঁও ওয়ার্ডের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব উন্নয়ন পরিষদ চান্দগাঁও ৪নং ওয়ার্ড আহব্বায়ক মো. শওকত আলম, সদস্যসচিব এসএম মামুন হোসাইন, যুবলীগ নেতা লিয়াকত চৌধুরী, বাদশা চৌধুরী, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা দেবাশীষ আচার্য্য, ছাত্রনেতা সুমন, শাকিল, জ্যাকি, অলি, ফরহাদ, রুবেল, সুদিপ, মালেক, রাজদীল, আসিফ প্রমুখ।
তৃণমূল এনডিএম: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়ে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ জেলা কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এসময় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তৃণমূল এনডিএম’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলার আহবায়ক মো. আবছার উদ্দিন। প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় তৃণমূল এনডিএমের চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী।
বোরহান উদ্দিন সুমনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন একরামুল হক চৌধুরী, আবুল বশর চৌধুরী, এ কে এম ফয়েজ উদ্দিন, সিরাজুন নূর বেগম, মো. এমরান চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, কামরুল ইসলাম শামীম, মো. বোরহান উদ্দিন সুমন, আবদুল আউয়াল, রঞ্জিত দাশ, রতন দাশ, রায়হান উদ্দিন, নুরুল আবছার বিপ্লব, নুরুল ইসলাম, মো. নাছের, লুৎফুল হায়াত খান, আবদুস সোবহান, মো. শরীফ, মো. নাছির উদ্দিন, মো. নয়ন, মো. দিদার, মো. নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।
ওমরগণি এমইএস কলেজ : ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়ের দিনে গতকাল ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় বিএনপি জামাতের সকল ষড়ডন্ত্র নাশকতা বন্ধে ওমরগণি এম,ই,কলেজ প্রাক্তন ছাত্রলীগ পরিষদের এক সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসুচী চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম,আর আজিমের সভাপতিত্বে নগরীর দামপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অবস্থান কর্মসুচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেকমন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরীর সন্তান, আওয়ামীলীগনেতা হেলাল উদ্দীন চৌধুরী তুফান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর জাবেদ নজরুল, কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর, নগর যুবলীগের সিনিয়র সদস্য নুরুল আনোয়ার, বাগমনিরাম ওয়ার্ড আওয়ামীলীগনেতা আবদুল মালেক, আওয়ামীলীগনেতা লেলিন পাল, মহানগর যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহব্বায়িকা মুশতারী মোরশেদ স্মৃতি, সদস্য সোনিয়া আজাদ, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম জুয়েল, ওমরগণি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাবেক আপ্যায়ন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মো. কফিল উদ্দীন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক আবু সাঈদ সুমন, যুবলীগনেতা আরিফ রশিদ, সাঈদ রহিম, মো. সেলিম, এরশাদ হোসেন মনি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মঈনুল হাসান চৌধুরী শিমুল, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আবুল মনসুর টিটু, মিন্টু কুমার দে, সহ সম্পাদক আরজু ইসলাম বাবু, কামরুল হুদা পাভেল, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান খোরশেদ আলম বাবুল, ছাত্রলীগনেতা সানি দাশ, আতিকুর রহমান, জামিউল আলম নিশান প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন দীর্ঘ ১৪ বছর ২১ শে গ্রেনেডে হামলার রায়ে আমরা মোটামুটি সন্তুষ্ট। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। মুলত তারেক জিয়ার পরিকল্পনায় সেদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামীলীগের সকল শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করে এদেশে আরেকটি ৭৫ এর ১৫ আগস্ট তৈরি করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে চিরতরে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বেঁচে যায়।