বাহারি ইফতার ‘লিটল এশিয়া’য়

এমএ হোসাইন

31

অ্যারাবিক, ইন্ডিয়ান, থাই, চাইনিজ, পাকিস্তানিসহ এশিয়ার প্রতিটি অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবারের স্বাদ মিলছে ‘লিটল এশিয়া’য়। হিলভিউ হাউজিং সোসাইটিতে সদ্য যাত্রা শুরু করা রেস্টুরেন্ট লিটল এশিয়ায় রয়েছে ব্যুফে ইফতারের সুযোগ। তাছাড়া ভিন্ন তিনটি প্লেটারে মিলছে ভিন্ন স্বাদের দারুণ সব ইফতারী।নামের সাথে মিল রেখে এশিয়ার জনপ্রিয় সব খাবার মেন্যু রাখা হয়েছে লিটল এশিয়ার প্লেটে। ইন্ডিয়ান বার্বুচির হাতে রান্না করা খাবার মুখে ভরতেই পাওয়া যাবে ভিন্ন স্বাদ। ইনোভেটিভ ভবনের লেভেল ৫ এ যাত্রা শুরু করা লিটল এশিয়ার সাজসজ্জা মুগ্ধ করবে যে কাউকেই। চমৎকার পরিবেশে শুধু ইফতার নয়, রমজানে ডিনার ও সেহেরীর ব্যবস্থাও আছে।
লিটল এশিয়ায় মাত্র ৭৯৯ টাকায় উপভোগ করা যাবে ব্যুফে ইফতারসহ ডিনার। ৫০ টিরও অধিক আইটেম রাখা হয়েছে এই অফারে। তাছাড়া ৪৭৫ টাকায় ইফতার প্লেটার-১ এ থাকছে ১২টি আইটেম। ৫৭৫ টাকায় থাকছে ১৩টি ইফতারী আইটেম। ৫৯৯ টাকায় থাকছে ফেরি ফেরি চিকেন, চিকেন স্যাথে, ফ্রাইড রাইচসহ ৯টি আইটেম। মাটন দম বিরিয়ানি, বীফ তেহেরী, বীফ আখনি, মাটন চাপ, বীফ বটি কাবাব, চিকেন বটি রেশমি কাবাব, তান্দুরি চিকেন, চিকেন বাটার মাসালা, বীফ আচারী, স্টিম মম, মাটন হালিম, জাফরানি শরবত এসব জনপ্রিয় খাবার তো আছেই।
রেস্টুরেন্টে ইফতারে অংশ নেওয়া আব্দুল গফ্ফার বলেন, নতুন রেস্টুরেন্টের খাবারের স্বাদ নিতে আসলাম। অনেকগুলো নতুন নতুন মেন্যু দেখলাম। আমি ব্যুফে ইফতার করলাম। খাবারগুলো অনেক ভালো লাগলো। অন্যান্য রেস্টুরেন্টের তুলনায় স্বাদ ভিন্ন এখানের সব খাবারের।
লিটল এশিয়ার সত্বাধিকারী ইফাজ খান জানান, এশিয়ার প্রতিটি অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার আমরা নিয়ে এসেছি। কোলকাতা, পাঞ্জাব, পাকিস্তান, থাই, চায়নিজ সব জায়গার জনপ্রিয় খাবারগুলো নিয়ে আমাদের লিটল এশিয়া। এখানে মিয়ানমারের জনপ্রিয় খাবারও আছে। ইফতারে আমরা ৭৯৯ টাকায় ৫০ টির অধিক আইটেমের ব্যুফে এবং তিনটি প্লেটার অফার রেখেছি।
সাড়ে চার হাজার বর্গফুট আয়তনে এই রেস্টুরেন্টটির অবস্থান। যার এক তৃতীয়াংশ জুড়েই রাখা হয়েছে কিড্স জোন। শিশুরা যাতে স্বাচ্ছন্দে খেলায় মেতে উঠতে পারে তার জন্য রাখা হয়েছে প্রায় ৬০ টির মতো খেলনা। দশবছরের নিচে সকল শিশুরা কিড্স জোনে প্রবেশ করতে পারবে। কিড্স জোনে প্রবেশ করা শিশুদের বিনোদনে সহযোগিতার জন্য রাখা হয়েছে দুইজন শিশুবান্ধব কর্মীও।
ইফাজ খান বলেন, শিশুদের নিয়ে যখন কোনো পরিবার রেস্টুরেন্টে আসেন তখন দেখা যায় মা অথবা বাবা তাদের সন্তানটিকে নিয়ে ঘুরছেন, অন্যজন খাচ্ছেন। শিশুরা যাতে আনন্দে ঘুরতে পারে সেজন্য আমরা কিড্স জোন করেছি। রেস্টুরেন্টের এক তৃতীয়াংশ জায়গা কিড্স জোনের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের কোনো রেস্টুরেন্টে এতো বড় কিড্স জোন নেই।
লিটল এশিয়ার খাবারের তালিকার দৈর্ঘ্য অনেক বড়। প্রতিটি এলাকার নাম করা খাবার তালিকায় থাকায় পছন্দ করতে কিছু সময় ব্যয় করতে হবে। মেন্যু তালিকা দেখলেই এশিয়ার জনপ্রিয় সবগুলো খাবারের নাম মিলবে।