বাংলা নববর্ষ বাঙালি জীবনচেতনার স্মারক

70

বাংলা নববর্ষ ও বর্ষবরণ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন, নববর্ষ উৎসব বাঙালি জীবনচেতনার স্মারক।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণিল আয়োজনে দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেইট গোল চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রা শেষে শহীদ আবদুর রব হল মাঠে মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব আলী আজগর চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সফিউল আলম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মিহির কুমার রায় ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য) ফরহাদ হোসেন খান।


চুয়েট :
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-চুয়েট এ বর্ণিল আয়োজনে শনিবার বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। বৈশাখের প্রথম প্রহরে সকাল সাড়ে ৭টায় চুয়েট গোল চত্বরে শোভাযাত্রার মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিশুকিশোররা অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি চুয়েট আবাসিক গোল চত্বর থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে চুয়েট বৈশাখী মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় চুয়েট ভাইস চ্যান্সেলর উপস্থিত সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম। চুয়েট স্টাফ ওয়েলফেয়ারের সভাপতি (দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রাণের বন্ধনে বৈশাখের আহবায়ক প্রকৌশলী অচিন্ত কুমার চক্রবর্তী। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে চুয়েট বৈশাখী মঞ্চে বর্ষবিদায়ের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ’প্রাণের বন্ধনে বৈশাখ’ শীর্ষক দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। চুয়েট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে। । উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল চুয়েট বৈশাখী মঞ্চে চ্যানেল আই’য়ের ক্ষুদে গানরাজ এবং সেরাকণ্ঠের শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানমালায় ছিল পান্তা-উৎসব, বাউল উৎসব, শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লটারি ড্র, বৈশাখের আলোচনা।

আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্র :
চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন-আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রকৌশলী পরিবারের সাথে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়-পিঠা উৎসবসহ প্রকৌশলী পরিবারের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও চুয়েট উপাচার্য প্রফেসর ড. প্রকৌশলী রফিকুল আলম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান (এডমিন) চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্মানি সম্পাদক ও চসিক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক। আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহিলা ও শিশু বিষয়ক কমিটির আহবায়ক সংগীতশিল্পী শাকিলা জাহানের সঞ্চালনায় দিনব্যাপীঅনুষ্ঠানে ছিল প্রকৌশলী সন্তানদের আলপনা আঁকার প্রতিযোগিতা ও প্রকৌশলী গৃহিনীদের যেমন খুশি তেমন সাজ প্রতিযোগিতা, প্রকৌশলী সন্তানদের মেহেদী রঙ্গে নিজেদের রাঙাতে এবং সাজাদের প্রতিযোগিতা ও প্রকৌশলী পরিবারের ঘরে তৈরি বৈশাখী পিঠা, বিভিন্ন খাদ্য পসরা প্রদর্শন করে স্টল সাজানোর প্রতিযোগিতা। সকাল ৮টায় বর্ষবরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন লোকসংগীত শিল্পী আবদুর রহিম, যাদু প্রদর্শন করেন যাদুশিল্পী রাজীব বসাক। সাপুড়ে নৃত্য পরিবেশন করেন শুভ্রা সেনগুপ্তা ও তার দল। বেলা ১২টায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শেষে প্রকৌশলী পরিবারের সন্তান ও গৃহিনীদের নিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। বেলা ১টায় আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রকৌশলী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ।

হাজেরা তজু স্কুল এন্ড কলেজ :
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এর পুত্র, সানোয়ারা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং হাজেরা-তজু স্কুল এন্ড কলেজ ও চিটাগাং কিন্ডারগার্টেন এর আয়োজনে বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঘুড়ি উৎসব স্কুল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজেরা-তজু স্কুল এন্ড কলেজ ও চিটাগাং কিন্ডারগার্টেন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজেরা-তজু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ দবির উদ্দিন খাঁন, চান্দগাঁও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন খালেদ, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ এর দাতা সদস্য ফাহিমা আনোয়ার, চিটাগাং কিন্ডারগার্টেন এর অধ্যক্ষ ফাতেমা ইয়াছমিন, হাজেরা-তজু স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সজল কুমার দত্ত ও উপদেষ্টা পর্ষদ সদস্য আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাবার, বিভিন্ন ধরনের পণ্যের স্টল ও ঘুড়ি উৎসব।

ইডিইউ :
ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি-ইডিইউ খুলশী পূর্ব নাসিরাবাদ নোমান সোসাইটিস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে কালাচারাল ক্লাবের উদ্যোগে বৈশাখী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। দুইপর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল স্মৃতিচারণ।
বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সজল বড়ুয়া, কালচারাল ক্লাবের উপদেষ্টা ও অনুষ্ঠানের সভাপতি সহকারি অধ্যাপক প্রবাল দাশগুপ্ত, ক্লাবের কনভেনার সাফা ইকবাল প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় সালসাবিল মুমু, কমলগন্ধা, মুন দাশ ও জিনাত, সুদীপ্ত দে, আবীর, ইফতি, ফাহিম। নৃত্য পরিবেশন করে মানিতা, ইশরাত সোয়াসতিকা, পুনম, রিদভী ও শহীদ। অভিনয় করেন সাওকি। কবিতা আবৃত্তি করে মুন্না, মুমু। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেয় নাঈম, নবজিৎ, তাসফি, ইফফাত, তুহিন, রাকিব প্রমুখ। উপস্থাপনা করে জুনায়েদ ও ফারিহা।

কেজিডিসিএল :
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-কেজিডিসিএল কর্তৃক কেজিডিসিএল বৈশাখী উৎসব উদযাপন করা হয়। এতে কোম্পানির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ তাদের পরিবার পরিজনসহ আনন্দঘন পরিবেশে আবহমান বাঙলার লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যমন্ডিত কর্মসূচি উপভোগ করেন। উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মো. আল-মামুন।

প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল :
প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বৈশাখী গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। মেলার মূল আকর্ষণ ছিল পিঠা উৎসব। স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সচিব গোলজার আলম আলমগীর এবং স্কুল অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) জিয়াউদ্দীন আহমেদ বীর উত্তম পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে মেলা উদ্বোধন করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন স্কুল উপাধ্যক্ষ ই ইউ এম ইনতেখাব। স্টলগুলোতে দুপুরব্যাপী চলে বেচাকেনা। চলে জনপ্রিয় গানের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ঐতিহ্যবাহী জিনিসপত্রের সমারোহ ছিল মেলায়। খাদ্যপণ্যের স্টল ছিল সর্বাধিক।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন স্কুল পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল হক খান স্বপন, উপাধ্যক্ষ (জুনিয়র স্কুল) ফিরোজ চৌধুরী, স্কুল হেডদ্বয় এবং সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষকবৃন্দ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন নববর্ষ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক ও স্কুল শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান উজ্জ্বল কান্তি বড়ুয়া।


পোর্ট সিটি ক্লাব :
চট্টগ্রাম পোর্ট সিটি সিনিয়র ক্লাবের উদ্যোগে ক্লাব কার্যালয়ে নববর্ষকে বরণ করা হয়। সন্ধ্যায় ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী মিঠুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বুলবুল চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক এবং ক্লাবের সাবেক উপদেষ্টা মশিউর রহমান চৌধুরী, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ও ক্লাবের উপদেষ্টা সাইদুর রহমান চৌধুরী, উপদেষ্টা কেশব ঘোষ, সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন তপন, ক্লাবের সদস্য মো. শফি প্রমুখ।
আলোচনা শেষে ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের সহ সভাপতি মো. মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় র‌্যাফল ড্র এর মাধ্যমে ৫০ জন সদস্যকে উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে ক্লাব সদস্য সুব্রত বিশ্বাস সিকিম এর একক সংগীতানুষ্ঠান ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞপ্তি


পশ্চিম মাদারবাড়ী :
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে পশ্চিম মাদারবাড়ীর বাসিন্দারা। শনিবার সকালে মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়।
বিশিষ্ট সমাজসেবক আজিজ উর রশীদ র‌্যালির উদ্বোধন করা হয়। এর পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পান্তা ইলিশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আজিজ উর রশিদ, অলি আহাম্মদ সর্দ্দার, ফরহাদ উদ্দিন জালাল, আব্দুর নবী, মাস্টার নুরুল ইসলাম, মো. সেলিম, সেলিম আহম্মদ, আব্দুল মতিন, লোকমান সাহেব, আবুল কালাম সওদাগর, আকতার সওদাগর, দেলোয়ার সওদাগর, শওকত আলী, আলমগীর, কাইয়ুম, নুরু, রায়হান, ইমন প্রমুখ।

ইউসিটিসি :
ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রাম-ইউসিটিসি প্রথমবারের মতো নববর্ষ উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। বর্ষবরণ উৎসব উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউসিটিসি ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য নিজাম উদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউসিটিসি ফাউন্ডার মোহাম্মদ ওসমান, অনুষ্ঠানের সভাপতি ইউসিটিসির ভারপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. শেখ সিরাজুল ইসলাম, মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মাসুদ। অতিথিবৃন্দ শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি বিভাগের পিঠাস্টলগুলো ঘুরে দেখেন। মূলপর্ব শুরু হয় ইংরেজি বিভাগের সাবিনা এবং মেকানিকাল বিভাগের সজীবের উপস্থাপনায়। প্রথমেই ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা সমবেত সুরে এসো হে বৈশাখ গানটি পরিবেশন করেন। সজীব পহেলা বৈশাখের ইতিহাস তুলে ধরে তার উপস্থাপনায়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, তরুণ ছাত্রছাত্রীরাই কুসংস্কার ও কূপমন্ডুকতাকে পিছনে সরিয়ে নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা এবং সম্ভাবনাকে স্বাগত জানাবে।
ছাত্রছাত্রীরা গান, নাচ, কৌতুক, কবিতা আবৃত্তি, ফ্যাশন শো, ব্যান্ড শোসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মাতিয়ে রাখে দর্শকদের। মূল অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি ছিল সাপের খেলা এবং নাগরদোলা।

হাইদচকিয়া মৈত্রী সংঘ :
ফটিকছড়ি হাইদচকিয়া মৈত্রী সংঘের উদ্যোগে চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ সংঘের সভাপতি বিপ্লব বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ কে এম সরোয়ার হোসেন স্বপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাইদচকিয়া গৌতমাশ্রম বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী প্রবেশ বড়ুয়া, গৌতমাশ্রম বিহার পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি অঞ্জন বড়ুয়া ও ফটিকছড়ি পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর গোলাপর রহমান। বর্ষবরণ উৎসবের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইন্দং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গৌতম সেবক বড়–য়া, ধর্মপাল বড়ুয়া, অধ্যক্ষ ডা. বরুণ কুমার আচার্য, রজত বড়ুয়া, সৈকত বড়ুয়া, লিটন বড়ুয়া, স্বদেশ বড়ুয়া, স্বপন বড়ুয়া, সত্যজিৎ বড়ুয়া, বীরসেন বড়ুয়া, অনুপম বড়ুয়া, দিপক বড়ুয়া, কান্টু বড়ুয়া, পন্ডিত তরুণ কুমার আচার্য, মোজাম্মেল হোসেন, মৈত্রী সংঘের সাধারণ সম্পাদক বনতোষ বড়ুয়া, বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সনজীব কুমার বড়ুয়া, অর্চনা রাণী আচার্য, সাংবাদিক আলমগীর নিশান, সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম, এসএনএন এর প্রতিনিধি সাংবাদিক এম.টি সুজন, সাংবাদিক সমীর কান্তি দাশ, বিজন শীল, ঝন্টু শীল, রুবেল শীল, বাবুল নাথ, রূপক বড়ুয়া, পংকজ বড়ুয়া, লিটন বড়ুয়া, সৈকত বড়ুয়া, রনজয় বড়ুয়া, শান্ত বড়ুয়া, সৈজত বড়ুয়া, বিটন বড়ুয়া, নান্টু বড়ুয়া, নয়ন বড়ুয়া, প্রদীপ বড়ুয়া, রাসের বড়ুয়া, রাহুল বড়ুয়া, সুপন বড়ুয়া, সলিল বড়–য়া, রীতেশ বড়–য়া, বাঁধন বড়–য়া, অভি বড়–য়া, অয়ন বড়–য়া প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রবন বড়ুয়া ও নান্টু বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও বৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়।