মেয়রের সঙ্গে জেএমএসডিএফ প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে

8

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্স হিরোযুকি ইয়ামা এবং অধিনায়ক সেইজি ইকুবোর নেতৃত্বে সফররত জাপানের মেরিটাইম সেলফ ডিফেন্স ফোর্সের (জেএমএসডিএফ) ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাত করেন।
গতকাল সকালে সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ডেপুটি হেড অব পলিটিকেল সেকশন রেইকো হারা, ডিফেন্স এ্যাটাক ক্যাপ্টেইন তাইকো এডা, অনারারি কনসুলেট জেনারেল অব জাপান নুরুল ইসলাম, পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট আবুল হাসনাত উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতকালে সিটি মেয়র কর্পোরেশনের নানামুখি সেবাকার্যক্রমের তথ্য প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র নগরীর পরিচ্ছন্নতা, ডোর-টু-ডোর প্রকল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নগর অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পর্কে সফররত প্রতিনিধিদলকে সম্মুখ ধারণা দেন। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশ বান্ধব ও সবুজায়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সিটি মেয়র প্রতিনিধিদল নেতাকে অবহিত করেন।
মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জাপান বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের অবকাঠামোগতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপান সরকারের সহযোগিতা বাংলাদেশের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আগামীতেও বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপান সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, পাহাড়-সাগর ও নদীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা চট্টগ্রাম নগরী। এ শহর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র।সমুদ্র বন্দরসহ নান্দনিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চট্টগ্রামের উন্নয়নের সাথে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ অগ্রগতিকে আরো বেগবান করতে বর্তমান সরকার বহুমুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নগরীতে এলিভেট এক্সপ্রেস, কন্টেইনার টার্মিন্যাল, বাস-ট্রাক টার্মিনালসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন মেয়র।
প্রতিনিধিদলের নেতারা নগরবাসীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নগর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, সবুজায়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমুলক প্রকল্পের কথা শুনে সিটি মেয়রের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
প্রতিনিধিদলের নেতা হিরোযুকি ইয়ামা বলেন, বাংলাদেশ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় এবং মধ্য এশীয় ইউরোপীয় দেশমন্ডলীর ঠিক মধ্যবর্তী দেশ। এশীয় ঐকতান সৃষ্টিতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রয়াস এবং এর ভৌগলিক রাজনৈতিক অবস্থানকে বিশেষ তাৎপর্যবহ বলে মনে করে জাপান। আগামীতে জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হবে বলে সফররত দলনেতা প্রত্যাশ ব্যক্ত করেন।
বৈঠককালে সিটি মেয়র সফররত ‘বানজো’ ও ‘তাকাশিমা’যুদ্ধ জাহাজ”এর অধিনায়কদের ক্রেস্ট প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি