বাঁশখালীতে শহিদ সার্জেন্ট মহি আলম চৌধুরীর স্মরণসভা

13

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঁশখালীর সাধনপুর বোর্ড অফিসস্থ রাজাকার ক্যাম্প আক্রমনে শত্রুর গুলিতে শাহাদতবরণকারী ফ্লাইট সার্জেন্ট এএইচএম মহি আলম চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৭ নভেম্বর সকালে লটমনি পাহাড়ে গভীর অরণ্যে শহিদের কবর চিহৃতকরে শ্রদ্ধা নিবেদন, বিকালে এক আলোচনাসভা এবং ম্যাগাজিন দ্যুতিমান প্রকাশনা বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহিদ ফ্লাইট সার্জেন্ট এএইচএম মহি আলম চৌধুরী স্মৃতি সংসদের আহব্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা লে. কর্নেল (অব.) তপন মিত্র চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম, এসি (ল্যান্ড) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাঁশখালী আল বশিরুল ইসলাম, বাঁশখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার অসিত সেন। মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কে এম সালাহ্উদ্দীন কামালের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ ছফা, আজিমুল ইসলাম, কবির আহমদ, আহমদ হোসেন, জয়হরি সিকদার, ছিদ্দিক আহমদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, ফয়েজ আহমদ, নরেন মিত্র চৌধুরী, সুকৃষ্ণ চৌধুরী, মুক্তিপদ চৌধুরী, মো. নুরুল আমিন, মহিউদ্দীন হায়দার, সুনীল পাল, আহমদ মিয়া, নীল রতন ঘোষ, রাখাল দাশ, প্রধান শিক্ষক একেএম মঈনউদ্দীন, সাধনপুর ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান করুণাময় ভট্টাচার্য্য, সদস্য এম. ফেরদাউস উল হক, আজিজুল হক ও মো. রেজাউল করিম, মুক্তিযোদ্ধা আবল বশর, মো. সাইফউদ্দিন, মো. ফারুক, ছৈয়দ হোসেন প্রমুখ। আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন স্বাধীনতাযুদ্ধে বরিশাল জেলার তৎকালীন মেহেন্দীগঞ্জ থানার উলানিয়া গ্রামে জন্মগ্রহনকারী শহিদ ফ্লাইট সার্জেন্ট এএইচএম মহি আলম চৌধুরীর দুঃসাহসিক ভূমিকা চির অম্লান। দক্ষিণ চট্টগ্রামে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সংগঠিত হওয়া বিভিন্ন প্রতিরোধযুদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণভাবে নেতৃত্ব প্রদান সত্যিই গৌরবের। সভায় মুক্তিযোদ্ধারা শহিদের কবর দূর্গম পাহাড় থেকে লোকালয়ে স্থানান্তর, সড়ক নামকরনের গেজেট প্রকাশসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনকে প্রদত্ত স্মারকলিপি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি