বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার উদ্বোধন

14

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, বহদ্দারহাট বাজার ঐতিহ্যগতভাবেই কর্ণফুলী নদী ঘেষা কাঁচা বাজারের একটি বাণিজ্য কেন্দ্র। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে সব ধরণের উৎপাদিত সবজি-পণ্য ও মাছ-মাংস এই বাজারে বিপনন হয়। এখান থেকেই মহানগরীর বাজারগুলোতে কাঁচাবাজার, মাছ, মাংস সরবরাহ করা হয়। তবে বিভিন্ন কারণে বাজারটির ব্যবস্থাপনা ও বাজার নিয়ন্ত্রণকারীদের অসামাঞ্জ্যস্যতা ছিল। বর্তমানে তা আমি উপলব্ধি করে সময়ের সিদ্ধান্ত সময়ে নিতেই বাজার সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ কাঁচা বাজার হিসেবে রূপান্তর করলাম। এতে করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আয়ে নতুন মাত্রা সংযোজিত হবে এবং নানাবিধ সেবার মান উন্নীত হবে। বাজারটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎসহ সার্বিক তত্বাবধান করবে চসিক।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত নগরীর বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। এসময় ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাসেম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা মো. এখলাস উদ্দিন আহমদ, বহদ্দারহাট বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. জানে আলম, সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, নির্মাণ কাজের ঠিকাদার তছকির আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ইসা, বেলাল আহমদ, এস এম মামুনুর রশিদ, আনিসুর রহমান চৌধুরীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, নগরীতে জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ফলে সড়ক, নালা নর্দমাসহ সব কিছুর ব্যবহারও বাড়ছে। অন্যদিকে নালা-নর্দমাগুলোতে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে ভরাট ও বেদখল হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নগরীর নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়ে। তাই গৃহস্থালী ও বাজারের ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে সিটি কর্পোরেশনের সেবকদের হাতে দিতে হবে।
উল্লেখ্য ৮ কোটি ১৫ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৯ হাজার ২০০ বর্গফুটের দুই তলা এই ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে রয়েছে ১০০ বর্গফুটের ১০টি দোকান, ৩০ বর্গফুটের ১৯০ টি দোকান। অন্যদিকে, ১ম তলায় রয়েছে ১০০ বর্গফুটের ৯০টি দোকান। এতে আরো রয়েছে ইবাদত খানা, টয়লেট ও লিফটসহ ৩টি সিড়ি। বিজ্ঞপ্তি