ম্রো সম্প্রদায়ের চাংক্রান উৎসব পার্বত্য মন্ত্রী

বর্তমানে প্রতিটি জাতিসত্তা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির মাধ্যমে উৎসব পালন করছে

বান্দরবান প্রতিনিধি

13

বান্দরবানে পাহাড়ে ম্রো সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ চাংক্রান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবকে ঘিরে পুরো ম্রো পল্লিগুলো আনন্দমুখর হয়ে উঠে। গত বৃহস্পতিবার বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃগোষ্টির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের আয়োজনে অনুষ্ঠানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টংকাবতি ইউনিয়নের সাখয়ই পাড়ার ব্রিকফিল্ড মাঠে নেচে গেয়ে র‌্যালি করে ম্রো জনগোষ্ঠি উৎসবের উদ্বোধন করেন। এসময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর,সদস্য সিং ইয়ং ম্রো, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান একে এম জাহাঙ্গীর, টংকাবতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্লুকান ম্রো, ক্ষুদ্র নৃগোষ্টির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক মংনুচিংসহ ¤্রাে সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসবে ম্রো সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী পোষাক পরে লোকজ অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নেয়। এসময় গো হত্যা নৃত্য, দড়ি টানাটানি, লোকসংগীত পিঠা উৎসবসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাহাড়ে ম্রো সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ নেচে গেয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। এদিকে অনুষ্টানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে। আজ দেশে সকল জাতিগোষ্টির জনসাধারণ তাদের নিজ নিজ ধর্ম সুন্দরভাবে পালন করতে পারছে। পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্টি সম্প্রদায়ের জনসাধারণ আজ পিছিয়ে নেই, শিক্ষা, কর্ম ও উন্নয়নে তারা প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছে। তিনি আরোও বলেন, বর্তমানে প্রতিটি জাতিস্বত্তা নিজস্ব সংস্কৃতির মাধ্যমে স্বাধীন ভাবে উৎসব পালন করতে পারছে। যার কারণে সমগ্র বাংলাদেশসহ সারা বিশে^ পরিচিত স¤প্রীতির বান্দরবান। পাহাড়ী-বাঙালির যেই সম্প্রীতির বন্ধন রয়েছে একে অপরের মঙ্গল কামনা করি।পার্বত্য জনপদের সকল সম্প্রদায়কে এক যোগে সম্মিলিত ভাবে শেখ হাসিনার আদর্শ বাস্তবায়নে এক যোগে কাজ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে ম্রো নৃত্য প্রদর্শন কারী ৮টি দল অংশগ্রহন করেন। বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে ম্রো সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ম্রো সম্প্রদায়ে বাঁশ দিয়ে শক্তি পরিক্ষা, ও বলি খেলায় বিজয়ীদের নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন।