বন্দরের শেডে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

22

চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য রাখার একটি শেডে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বন্দরের দুই নম্বর জেটি সংলগ্ন তিন নম্বর শেডে আগুন লাগে। প্রায় তিনঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলমকে কমিটির প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্তের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ অগ্নিকান্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি অনুসন্ধানে এই কমিটি গঠন করেছেন বলে জানিয়েছেন বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।
চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন জানান, আগুন লাগার বিষয় জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসের তিনটি স্টেশন থেকে ১৪টি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকান্ডের কারণ জানতে চাইলে ফরিদ উদ্দিন বলেন, শেডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন থেকেও লাগতে পারে। আবার সেখানে ওয়েল্ডিংয়ের কোনো কাজ চলছে কি না খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে তদন্তের আগে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ বলা যাচ্ছে না।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, শেডে বিভিন্ন ধরনের আমদানি পণ্য আছে। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতি এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। আগুন এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে।
তিনি জানান, এখনো কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি কেমন বলা সম্ভব না। তবে তা অনুসন্ধানে গঠিত ৫ সদস্যের কমিটিতে বন্দরের ট্রাফিক, নিরাপত্তা, হিসাব ও নিরীক্ষা বিভাগ থেকে একজন করে প্রতিনিধি এবং ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তাকে রাখার কথা বলা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির প্রধান মো. জাফর আলম বলেন, অগ্নিকান্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতি তদন্তের পর জানা যাবে। সেই সাথে বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্য কত দিন থাকা উচিত, সে বিষয়টিও তদন্তে এনে সমাধানের সুপারিশ করব।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দরের ওই শেডে বিভিন্ন আমদানিকারকের কনটেইনারে আসা পণ্য একসঙ্গে খালাস করে রাখা হয়।