বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সভায় বক্তারা

বঙ্গবন্ধু জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন

41

 

নাসিরাবাদ ওয়ার্ড আ.লীগ, যুবলীগ : ৪২ নং নাসিরাবাদ (সাংগঠনিক) ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলালীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক র‌্যালি গত ১১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‌্যালিটি ষোল শহর ২নং গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যোন থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর এক সমাবেশ ২ নং গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যোনে অনুািষ্ঠত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পাঁচলাইশ থানা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী আকবর। এ.কে.এম জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আলহাজ মোহাম্মদ আলী আকবর বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ পুনপ্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, গণমানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার অর্জনসহ রাজনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটিয়েছেন, যার তুলনা বিরল। তার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুরিদুল আলম লিটনের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শের মোহাম্মদ বাবুল, মো. কোরবান আলী, রফিক মিয়া, ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শ্যামলী শীল, যুগ্ম আহবায়ক লাকি বেগম, রুবি বেগম, বাসনা চৌধুরী, মো. বেলাল, উত্তম দাশ, রানা শীল, সঞ্জয় গোসামী, মো. স্বপন, নটরাজ দাশ গুপ্ত, মো. দেলোয়ার, মোহাম্মদ ওহিদ, মো. শামশু, মো. জানে আলম, আব্দুল কুদ্দুস, মো. আব্দুল খালেক, আসেম গাজী, মো. আশরাফুল যুবদার প্রমুখ। সমাবেশ শেষে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি : ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় পূর্ণতা পেয়েছে। প্রাক্তন সাংসদ এবং চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য সাবিহা নাহার বেগম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সেমিনার কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মুজিব বর্ষ পালনের প্রস্তুতি সভায় সম্প্রতি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বিশ্ববাসী এবং বাংলার স্বাধীনতাকামী সাধারন মানুষের চাপে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার। এরপর জনতার নেতা সবার আগে জনতার কাছেই ফিরে আসেন এবং রেসকোর্স ময়দানে ভাষন দেন। চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ইনচার্জ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রথমেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশাত ইমরান। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রুহি মোস্তফা, পরিচালক রেবেকা নাসরীন, প্রাক্তন পরিচালক আক্তার বানু, ফেন্সী, সেরিনা তাহেরসহ সদস্য বেবী হাসান, শিরীন আক্তার শিল্পী, রেহানা খান ও তানহা চৌধুরী। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। সভাপতি আবিদা মোস্তফা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের কর্তব্য হচ্ছে সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে যার যার জায়গা থেকে কাজ করে যাওয়া। বক্তব্য শেষে মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া পাঠ, দেশীয় রান্না প্রতিযোগিতা, পিঠা উৎসব, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, শীত বস্ত্র বিতরণ, প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ব্যবসা পরিকল্পনা প্রতিযোগিতা সহ বছরব্যাপী আরও নানান কর্মসূচী তুলে ধরেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু শিল্পী গোষ্ঠী : বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় পূর্ণতা পেয়েছিল। স্বদেশে ফিরে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনই করেননি, বরং জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শিল্পী গোষ্ঠী চট্টগ্রাম কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও মুজিববর্ষ ক্ষণগণনার আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ লিপটন। সভায় বক্তারা আরো বলেন, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাঙালির স্বাধীনতার মতো গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যদি ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ এ স্বদেশে ফিরে না আসতেন, তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন হতো। বঙ্গবন্ধু স্বদেশে ফিরে এসে মিত্র বাহিনীর সৈন্যদের ফেরৎ পাঠিয়েছিলেন, বাংরাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করিয়েছিলেন এবং দেশের সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন। এতো কম সময়ে আর কোনো রাষ্ট্রনায়ক এই কাজ করতে পারেননি, একমাত্র বঙ্গবন্ধু পেরেছিলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক গীতিকার ইসমাইল মানিক, ফিরোজ চৌধুরী, সংগীত বিষয়ক সম্পাদক শব্দসৈনিক পূর্ণিমা দাশ, অভিনেতা প্রণব চক্রবর্ত্তী, ইন্দ্রজিৎ ভট্টাচার্য, অজিত নন্দী, কণ্ঠশিল্পী এহসানুল করিম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল বাসার খান, সুমন দত্ত, কামরুন্নেছা জেরিন, এমরান ফারুকী, ইমরান সোহেল, কণ্ঠশিল্পী ইয়াছমিন, সংগীতশিল্পী মুসলিম আলী জনি, কণ্ঠশিল্পী দেবরাজ দত্ত ডেবিট, সমীরণ পাল, সংগীতশিল্পী লুপর্ণা মুৎসুদ্দী, মায়া চৌধুরী, কণ্ঠশিল্পী সুকুমার দে, মুকাভিনয়শিল্পী মেজবাহ চৌধুরী, জুলিয়েট টন টোসকন প্রমুখ।